৭ জুলাই ২০২২ ০:৩৩:৩৯
logo
logo banner
HeadLine
ডিজিটাল মার্কেটের বিকাশে সরকার হাই-টেক পার্ক স্থাপন করছে : প্রধানমন্ত্রী * সরকার লোড-শেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছে, দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী * আজ থেকে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু * ০৭ জুলাই, ২০২২ : চট্টগ্রামে ১৯ শতাংশ হারে নতুন শনাক্ত ৮০ * ০৫ জুলাই, ২০২২ : ১৬.৭৪ শতাংশ হারে আজ শনাক্ত ১৯৯৮, মৃত ৭ * অধিক ফসল উৎপাদন করার ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ০৪ জুলাই, ২০২২ : শনাক্তের সাথে বাড়ছে মৃত্যুও, ১৬.৫১ শতাংশ হারে নতুন শনাক্ত ২২৮৫, মৃত ১২ * বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * ০৩ জুলাই, ২০২২ : ১৫.৫৩ হারে আজ শনাক্ত ১৯০২, মৃত্যু ২ জনের * কোরবানির চাহিদা ৯৭ লাখ, প্রস্তুত ১ কোটি ২১ লাখ পশু : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী * আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী * বাংলাসহ ১৪ ভাষায় অনুবাদ হবে এবারের পবিত্র হজের খুতবা * ০২ জুলাই, ২০২২ : ১৩.২২ হারে আজ শনাক্ত ১১০৫, মৃত ৬ * ৩০ জুন, ২০২২ : ১৫.৭০ হারে শনাক্ত ২১৮৩, মৃত ৪ * আগামী ১০ জুলাই পবিত্র ঈদ উল আযহা *
     01,2022 Friday at 10:21:18 Share

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

খেপুপাড়ানিউজ২৪.কম, ঢাকা : হাজারো মিনারের নগরী বলে পরিচিত মিসরের রাজধানী কায়রো। এই কায়রোর প্রথম মসজিদ আল-আজহার। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যে প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে বেশি পরিচিত সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই মসজিদকে কেন্দ্র করেই। মহান আল্লাহর দীপ্তিময় ঘর আল-আজহার মসজিদ। একে বলা হয় মস্ক অব দ্য রিসপ্লেনড্যানট। অত্যন্ত উজ্জ্বল ও চমৎকার বলেই এই উপাধি। 'আজ-জাহারা' অর্থ এক উজ্জল নক্ষত্র। হযরত মুহাম্মদ স.-এর আদরের কন্যা হযরত ফাতিমা রা.-এর উপাধি ছিল এটি। এই উপাধির সাথে মিল রেখে তাঁকে উদ্দেশ করেই মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে আল-আযহার মসজিদ। মাথা তুলে আছে সেই ৯৭০ খ্রিস্টাব্দ থেকে। কায়রোর তৎকালীন ফাতেমীয় খিলাফত প্রধান আল মুইজ্জলি-দীনআল্লাহ মসজিদটি তৈরির আদেশ দেন। ৯৮৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ এখানে ৩৫ জন শিক্ষাবিদকে নিয়োগ দেন। শুরুতে মসজিদের অংশহিসেবে যাত্রা শুরু হয় একটি স্কুলের। সেই স্কুলই আজ প্রখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়। মসজিদটি কখনো উপেক্ষিত হয়েছে, আবার কখনো বা হয়েছে অতি নন্দিত।আইয়ুবীয় সুলতানদের আমালে মসজিদটির মর্যাদা খর্ব করা হয়েছিল। মসজিদের স্কুলের ছাত্র আর তাদের শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে মামলুক সুলতান আবুল আল ফুতুহ মিসর বিজয়ের পর আল-আজহার মসজিদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনেন। তার শাসনামলে মসজিদটি সংস্কার করা হয়। আয়তনে বড় করে আরো মোহনীয় করা হয়। আগে মসজিদের তিনদিক ঘিরে ছিল সারি সারি খিলান। পরে চারদিকে খিলানের সারি গড়ে তোলা হয়। যা একটি সৃষ্টি করে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের। ১৭৫৩ খৃস্টাব্দে অটোমান শাসক আমীর আবেদ আল রহমান এই মসজিদের ব্যাপক এবং দীর্ঘস্থায়ী সংস্কারে হাত দেন। মসজিদটির বর্তমান কারুকার্যময় সামনের অংশটি তিনিই সংস্কার করেন। এছাড়া তিনি এখানে তিনটি মিনার নির্মাণ করেন। যার দুটি আজও টিকে আছে। তিনি মসজিদের পুর্ব-দক্ষিণ কোনে তার জন্য সমাধিসৌধও নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে মিসরীয় শাসকরা মসজিদটিতে সহযোগিতা অব্যহত রাখেন। আজ এই আল-আজহার মসজিদ মিসরীয় সমাজে একটি শক্তিশালী প্রভাব বিস্তারকারী প্রতিষ্ঠান। ইসলামিক মিসরের প্রতীক হিসেবে মাথা তুলে আছে মসজিদটি। খেপুপাড়া নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/০৭/০৭/২০১৪

User Comments

  • আরো