২০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৫:৬:৩০
logo
logo banner
HeadLine
দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, মাদক, সন্ত্রাস দূর করতে হবে: সোহরাওয়ার্দীর বিজয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী * ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলের সযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী * হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া কমানোর ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীকে 'হাব' এর অভিনন্দন * ২৭শ' ইউনিয়নে বিনামূল্যে তিন মাস ইন্টারনেট * আজ সোহরাওয়ার্দীতে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ * এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের * সাভারে ধর্ষণ মামলার মুল আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার * 'সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে, এখন দুর্নীতি করলে ছাড় দেওয়া হবে না' * প্রধানমন্ত্রীর নামে ৬টি ভুয়া ফেসবুক পেইজসহ ৩৬টি পেইজ চালাতেন ফারুক * কোচিং বাণিজ্য বন্ধসহ ৫ নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী * নির্বাচন নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত - তথ্যমন্ত্রী * টিআইবির প্রতিবেদন ভিত্তিহীন - সিইসি * সরকারের শুরুতেই সুশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু * বিশ্বের বৃহত্তম দোসা বানালেন চেন্নাইয়ের একদল রাঁধুনি * কমোডের চেয়েও বেশি জীবাণু স্মার্টফোনে! * সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু * অস্থির বাজারেও চালের দাম কমছে খাতুনগঞ্জে * ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারি: তথ্যমন্ত্রী * মালিক-শ্রমিক-সরকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, ৬ গ্রেডে বেতন বাড়ল পোশাকশ্রমিকদের * দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে: প্রধানমন্ত্রী * সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা, কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে এলাকা আটকানোর পরিকল্পনা * গণতন্ত্রের স্বার্থে সংসদে আসা উচিত : প্রধানমন্ত্রী * নতুন সরকার ও দল শক্তিশালী করতে করণীয় নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক * আগামী ৫ দিন দেশব্যাপী বইবে মৃদু থেকে মাঝারী শৈত্যপ্রবাহ থাকবে কুয়াশাও * ওরা যেন আর ফিরে না আসে - নির্বাচনে অগ্নিসন্ত্রাসীদের প্রত্যাখ্যান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী * জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা সদস্যদের শ্রদ্ধা * আজ জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস * পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত, অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন * একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ৩০ জানুয়ারি * সন্দ্বীপে গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী কালা মনির নিহত *
     27,2016 Monday at 13:29:16 Share

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কী ৩০ বছর ? নাকি আমৃত্যু কারাদণ্ড?

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কী ৩০ বছর ? নাকি আমৃত্যু কারাদণ্ড?

প্রশ্নটা তুললেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। গতকাল রোববার গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন করে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, 'আমাদের জেল কোড (কারাবিধি) অনেক পুরোনো। এটা নিয়ে ব্রিটিশ আমলে অনেক জগাখিচুড়ি হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিয়ে একধরনের বিভ্রান্তি রয়েছে। এটা নিয়ে অপব্যাখ্যাও রয়েছে। যাবজ্জীবন অর্থই হলো যাবজ্জীবন, একেবারে রেস্ট অব দ্য লাইফ (জীবনের বাকি সময় পর্যন্ত)।'
প্রধান বিচারপতির এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। জানতে চাইলে গতকাল তিনি বলেন, 'আমাদের পেনাল কোড (দণ্ডবিধি) ও জেল কোড (কারাবিধি) একসঙ্গে মিলিয়ে পড়লে দেখা যায়, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আসলে ৩০ বছর নয়, স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত কারাদণ্ড।'
তবে এ কথা মানতে রাজি নন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড গণনা করা হবে ৩০ বছর। এর বিকল্প কিছু করতে গেলে আইনের পরিবর্তন করতে হবে। এর আগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ছিল ২০ বছর। ১৯৮৫ সালে এরশাদ সরকারের আমলে আইন পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর করা হয়। তাই আইন পরিবর্তন না করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে আমৃত্যু কারাদণ্ড হিসেবে কার্যকর করা সম্ভব নয়।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, ইংরেজিতে যেটা বলা হয় ইমপ্রিজনমেন্ট ফর লাইফ, বাংলায় তাকে বলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আক্ষরিক অর্থ ধরা হলে আজীবনের জন্য কারাগারে থাকতে হবে। আর দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছর, এটা প্র্যাকটিস। এখন যদি এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক ওঠে কিংবা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই ব্যাখ্যা দেওয়ার একমাত্র ক্ষমতা সর্বোচ্চ আদালতের। যদি এই প্রশ্ন আপিল বিভাগের সামনে যায়, আদালতই ঠিক করে দেবেন আসলে কোনটা সঠিক।
বর্তমানে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ৩০ বছর মেয়াদেই সাজা খাটছেন। এর প্রথম ব্যত্যয় দেখা দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলোর রায় দেওয়া শুরু হলে। একাধিক রায়ে দেখা গেছে, বিচারকেরা 'আমৃত্যু কারাদণ্ড' ভোগের সাজা দিয়েছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আপিলের রায়ে যেন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি তৈরি না হয়, সে জন্য আদালত সুনির্দিষ্টভাবে আমৃত্যু কারাদণ্ডের কথা উল্লেখ করে দিয়েছেন। ওই রায়ে আপিল বিভাগ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইন সংশোধন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত কারাদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে দণ্ডবিধি ও কারাবিধি এখনো সংশোধন করা হয়নি।
তবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইনে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য নয়। এ জন্য যুদ্ধাপরাধের মামলার রায়ে আলাদাভাবে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ উল্লেখ করে দিয়েছেন। কিন্তু ওই আইন সাধারণভাবে প্রযোজ্য হতে পারে না।
বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার মনে করেন, দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় যাবজ্জীবনের যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, সেটাই থাকা উচিত। তিনি বলেন, আইনে যাবজ্জীবনের সংজ্ঞা স্পষ্ট। তাই যতক্ষণ না আইন পরিবর্তন হচ্ছে, ততক্ষণ অন্য কোনো ব্যাখ্যা আসতে পারে না।

User Comments

  • অন্যান্য সংবাদ