১৫ নভেম্বর ২০১৮ ১২:২৯:১৪
logo
logo banner
HeadLine
'ষড়যন্ত্র চলছে সবাই সতর্ক থাকুন, বিদ্রোহী হলে আজীবন বহিষ্কার' - মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী * বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় 'গাজা', ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত * এক আসনেই ৫২ মনোনয়ন,৭টিতে ১টি করে, আওয়ামীলীগের মোট ফরম বিক্রি ৪০২৩ * বংগবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে সন্দ্বীপের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একত্র হয়ে ফরম জমা দিলেন * আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার কাল * ৭ দিন পেছালো নির্বাচন, ৩০ ডিসেম্বর ভোট * অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা সরকারের উদ্দেশ্য - প্রধানমন্ত্রী * আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম নেয়া ও জমা শেষ হচ্ছে আজ , ১৪ নভেম্বার সকালে সাক্ষাতকার * শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে সব দল ও জোট, স্বাগত জানালেন তিনি * সাকিবকে খেলা চালিয়ে যেতে বললেন প্রধানমন্ত্রী * ৬৮ শতাংশ তরুণ ভোটার শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট * মনোনয়ন না পেলে করণীয় নিয়ে অঙ্গীকার নিচ্ছে আওয়ামীলীগ,চলছে ফরম উৎসব, দুইদিনে ফরম কিনলেন ৩২০০ জন * ভোটে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট : বিএনপিসহ বৈঠকে সিদ্ধান্ত, আজ দুপুরে প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা * আওয়ামী লীগ সংসদীয় বোর্ডের সভা আজ * নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি, ঘোষণা আজকালের মধ্যেই * বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু * আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু আজ, সরগরম সভানেত্রীর কার্যালয় * নির্বাচন সামনে রেখে হার্ডলাইনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী , অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলায় কঠোর ব্যবস্থা * সরকার শুধু রুটিনওয়ার্ক করতে পারবে , আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেবে কমিশন * ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন * চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরের সাড়ে ৩ হাজার সন্ত্রাসী : বাঁশখালি ও সন্দ্বীপে রয়েছে অস্ত্র তৈরির একাধিক কারখানা , শীঘ্রই বিশেষ অভিযান * সৈয়দ আশরাফের সুস্থতা কামনায় আগামীকাল বাদআছর দেশব্যাপী দোয়া মাহফিল * খালেদা তারেকের অধ্যায় শেষ, সুস্থ ধারার পথে রাজনীতি * আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করবো: মির্জা ফখরুল * তফসিল ঘোষণা কাল সন্ধ্যা ৭টায় * সংলাপ শেষ তবে আলোচনা হতে পারে, নির্বাচন পেছানো ও উপদেস্টা নিয়োগের প্রস্তাব নাকচ - কাদের * আজ গনভবনে ফের সংলাপে যাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্টের ১১ নেতা * ঐক্যফ্রন্টে মিনি ক্যু এবং শেখ হাসিনার জন্য একটি সাবধান বাণী * বিএনপির নেতৃত্বে থাকতে পারছেন না খালেদা ও তারেক * সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে: ড. কামাল *
     19,2017 Monday at 08:51:52 Share

ফিটনেসবিহীন ট্রলারেই সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ রুটে ঝুকিপূর্ণ ঈদযাত্রা

ফিটনেসবিহীন ট্রলারেই সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ রুটে ঝুকিপূর্ণ  ঈদযাত্রা

সীতাকুণ্ড-সন্দ্বীপ রুটে ৭টি ফেরিঘাটে ১৪টি ট্রলারের কোনোটিতেই ফিটনেস নেই। যার ফলে ঈদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে যাত্রীদের, এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবছর ঈদযাত্রায় এ রুটে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের ফলে ট্রলারডুবিতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এবছরও একদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া অন্যদিকে ফিটনেসহীন ট্রলারে সন্দ্বীপ চ্যানেল পাড়ি দিতে হবে যাত্রীদের।


উল্লেখ্য, সন্দ্বীপ চ্যানেলে যাত্রী উঠানামা করার জন্য সীতাকুণ্ড এলাকায় ৭টি ফেরিঘাট রয়েছে। ঘাটগুলো হলো- সৈয়দপুরে বাঁকখালী ঘাট, মুরাদপুরে আমির মোহাম্মদ ফেরিঘাট ও ফকিরহাট ফেরিঘাট, বাড়বকুণ্ড ফেরিঘাট, বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট, কুমিরা ফেরিঘাট ও ভাটিয়ারী টোবাকো ঘাট। এই ঘাটগুলো দিয়ে প্রতিনিয়তই যাত্রী উঠানামা করছে। জেলা পরিষদ কর্তৃক ইজারা দেয়ার সময় শর্ত থাকে যে, যাত্রীবাহী ট্রলারে মালামাল আনা নেয়া যাবে না। প্রত্যেক ট্রলারে দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখতে হবে।


ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ এবং ট্রলারের যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সীতাকুণ্ড থেকে ৭টি ঘাটে সন্দ্বীপে প্রতিদিন যাতায়াত করে প্রায় দুই হাজার যাত্রী। ঈদের সময় এ সংখ্যা বেড়ে আড়াই থেকে তিন হাজার পর্যন্ত হয়। প্রতিটি ঘাটে প্রতিদিন সকাল-দুপুর দুটি ট্রলার সন্দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এগুলোর একটিরই ফিটনেস নেই। ট্রলার মালিকরা ফিটনেস কোন কর্তৃপক্ষ থেকে নেবেন তাও নাকি জানেন না। অথচ এসব ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন সন্দ্বীপ চ্যানেলে যাত্রী আসা-যাওয়া করছে। জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ নৌপথে নিয়মিত চারটি যাত্রীবাহী জাহাজ থাকলেও বর্তমানে একটিমাত্র সচল আছে। এবারের ঈদে এই জাহাজের উপর ভরসা করে যাত্রীদের চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপ যেতে হবে। যার কারণে ঈদে যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারেই সন্দ্বীপে যেতে হবে।


কুমিরা ফেরিঘাট ও ভাটিয়ারী টোবাকো ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি ট্রলারে ৭০ জন যাত্রী উঠার ক্ষমতা থাকলেও সেখানে ১২০-১৫০ জন যাত্রী উঠছেন। পাশাপাশি মালামালও বহন করা হচ্ছে। ঘাট ইজারাদার তাতে বাঁধা না দিয়ে বরং যাত্রীদের ট্রলারে উঠতে উৎসাহ দিতে দেখা গেছে।


যাত্রীরা জানান, ‘সমুদ্রগামী ট্রলারে জীবনরক্ষাকারী বয়া, জ্যাকেট, রেডিও, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র, অতিরিক্ত লাইফ জ্যাকেট ও দিক নির্ণায়ক যন্ত্র থাকার কথা থাকলেও এখানে এসব নেই। তাই দমকা হাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টিতে নাজুক এসব ট্রলার ডুবে প্রাণহানির সম্ভাবনা প্রচুর।’


ভাটিয়ারী টোবাকো ঘাটের ম্যানেজার জসিম উদ্দিন জানান, ‘ট্রলার স্বল্পতার কারণে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করতে হচ্ছে। এছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী ট্রলারে না উঠার জন্য বললেও তারা শোনেন না।’ বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের কাছ থেকে একটু বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।’


এদিকে নৌপথে সন্দ্বীপবাসীর দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ‘আমরা সন্দ্বীপবাসী’ নামে একটি সংগঠন। ঈদ উপলক্ষ্যে অন্তত সমুদ্র পারাপারের বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা থাকলেও তা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।


এদিকে অভিযোগ আছে, অধিক মুনাফার লোভে জেলা পরিষদের ইজারাদার স্টিমারের পরিবর্তে অবৈধ মালবাহী বোট ও ঝুঁকিপূর্ণ স্পিড বোডে যাত্রী পারাপার করছে। যার ফলে প্রায় সময় যাত্রীদের সমুদ্রে পড়ে যাওয়া ও যাত্রী নিয়ে মাঝপথে নৌযান অচল হয়ে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটছে। এসময় সমুদ্র উত্তাল থাকে। তাই এসময়ে দুঘটনার সম্ভাবনাও থাকে বেশি।


যাত্রীদের অভিযোগ, স্পিডবোটের ভাড়া ৩০০ টাকা হলেও ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হয়। তাই অবৈধ নৌযানে যাত্রী পারাপারের পাশাপাশি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। গত ঈদের আগে নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর বিশেষ হস্ত েপে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্টিমার সার্ভিসে ১৩০ টাকা ভাড়া নির্ধারিত হয়। কিন্তু নির্ধারিত ভাড়ার সাথে ইজারাদাররা দুই তীরে নিরাপদে উঠানামার নামে যাত্রীপ্রতি ১০ টাকা করে অতিরিক্ত ২০ টাকা নেয়। কিন্তু ঘাটের ইজারাদার উঠানামার জন্য পর্যাপ্ত ছোট নৌকা রাখেন না। যার ফলে যাত্রীরা বাধ্য হয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়ে অন্য নৌকায় করে জাহাজ থেকে তীরে নেমে আসেন। এছাড়াও মালের ভাড়ার নামে রীতিমত নৈরাজ্য চালানো হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন নৌযানে যাত্রীর সাথে থাকা ৩০ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত মালামালের জন্য ভাড়া দিতে হয় না। কিন্তু কুমিরা-গুপ্তছড়া ঘাটে ১৫ কেজির অতিরিক্ত মালামালের জন্য কেজি প্রতি তিন টাকা হারে মাশুল আদায় করা হয়। তারপরও যাত্রীরা সময় সাশ্রয় এবং দ্রুত পারাপারের জন্য অনেক সময় স্পিড বোটে যাতায়াত করে থাকেন।


‘আমরা সন্দ্বীপবাসীর অভিযোগ’, কুমিরা-গুপ্তাছড়া ঘাট থেকে জেলা পরিষদ বছরে কয়েক কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। কিন্তু যাত্রীদের নিরাপদে উঠানামার জন্য কোনো উদ্যোগই তারা নেয়নি। দীর্ঘদিন জেলা পরিষদ দুই তীরে কোনো যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করেনি। যার ফলে রোদ কিংবা বৃষ্টিতে যাত্রীদের খোলা আকাশের নীচেই অপেক্ষা করতে হয়। বড় নৌযান থেকে নেমে কখনো কোমর, কখনো বুক সমান পানি ডিঙিয়ে জীবন বাজি রেখে সন্দ্বীপের যাত্রীদেরকে কূলে উঠতে হয়।


সুত্রঃ দৈনিক আজাদী

User Comments

  • সন্দ্বীপের সুখ দুঃখ