১২ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩:৩৬:৪৭
logo
logo banner
HeadLine
রাখাইনে গণহত্যা : আইসিজেতে বিচারের শুনানি শুরু * ১৬ ডিসেম্বর থেকে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে 'জয় বাংলা' জাতীয় স্লোগান হওয়া উচিত : হাইকোর্ট * আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীকে শাস্তি পেতেই হবে * ইভিনিং কোর্স পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করছে : রাষ্ট্রপতি * রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন * নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী * নারীদের পর পুরুষ দলও এসএ গেমস ক্রিকেটে স্বর্ণ জিতলো * প্রত্যেক টিআইএনধারীকে রিটার্ন দাখিলে বাধ্য করা হবে * আগামী দিনের আওয়ামী লীগ * রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী * চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের নতুন নেতৃত্বে সালাম-আতাউর * ৬ ডিসেম্বার, ১৯৭১ : 'বাংলাদেশ স্বাধীন' - ভারত * মেরিটাইম উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা * বছরের প্রথম দিনই চার কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয়া হবে ৩৫ কোটি বই * বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কমান্ড : ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ * মুক্তিযোদ্ধাদের অসচ্ছলতা রাষ্ট্রের জন্য লজ্জার: হাইকোর্ট * স্পেন সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী * ব্যর্থ হলে শিশুরা ক্ষমা করবে না, বিশ্বনেতাদের হাসিনা * কপ-২৫ সম্মেলন ও বাংলাদেশ * মাদ্রিদে শুরু হলো জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৫, যোগ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা * দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী * চলতি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা * অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের নিবন্ধন শুরু আগামী সপ্তাহে: তথ্যমন্ত্রী * বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে হাইকোর্টের রুল * 'অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বিরিয়ানি-পোলাও খাওয়ার চেয়ে সাদাসিধে জীবনযাপন করা অনেক অনেক সম্মানের - প্রধানমন্ত্রী * রোহিঙ্গা ইস্যুতে রিয়াদ সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে * বিশ্বব্যাপী উদযাপন হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী * সিএমপি কমিশনারের কাছে ফেইসবুকেও অভিযোগ জানানো যাবে * হ‌লি আর্টিজানে হামলা মামলায় ৮ আসামীর ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড * ইতিহাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা *
     27,2017 Sunday at 17:08:09 Share

রাম রহিমের বিলাসবহুল জীবন

রাম রহিমের বিলাসবহুল জীবন

ভারতের আলোচিত-সমোলোচিত ধর্মীয়গুরু গুরমিত রাম রহিম সিং। প্রায় হাজার একর জমির মাঝখানে আয়নায় মোড়া তার প্রাসাদ। নাম বাবা কি গুফা। দামি আসবাব, সোফা, পর্দায় সাজানো বিলাসবহুল সেই প্রাসাদেই বাস গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের।
গুহায় তাঁকে ঘিরে থাকেন ২০০ জনেরও বেশি বাছাই করা সেবাদাসী। সেবা দাসীদের পরনে সাধ্বীদের মতো দুধসাদা রঙের পোশাক, চুল খোলা। এরা রাম রহিমের যত্নআত্তি, দেখভাল করেন। এমনই দুই সেবাদাসীকে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বাবা রাম রহিম।
এক সময়ে বাবার গুহায় অতিথি হওয়া বিহারের সাংবাদিক পুষ্পরাজ। তিনি জানিয়েছেন, সেখানে আছে মেয়েদের স্কুল পরীলোক। পরীলোকের সবাই সুন্দরী। বাবাজি মনে করেন সুন্দর মাত্রই মেধাবী । সেই গুহায় প্রবেশাধিকার আছে মাত্র কয়েক জনের। তাও আঙুলের ছাপ, চোখের মণি-র মতো বায়োমেট্রিক তথ্য মিললে তবেই ভিতরে যাওয়ার অনুমতি মেলে।
ধর্মগুরু রাম রহিম অবশ্য সংসারী। স্ত্রী হরজিত কউর ও তার এক পুত্র ও দুই কন্যাও রয়েছেন। এ ছাড়াও একটি কন্যা দত্তক নিয়েছেন তিনি। মেয়েরা তার সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন। ছেলে জসমিতের বিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা হরমেন্দ্র সিং জস্‌সির কন্যার সঙ্গে। বড় মেয়ে চরণপ্রীতের দুই ছেলে রয়েছে। রাম রহিম আদর করে নাতিদের নাম দিয়েছেন সুইটলাক ও সুবাহ-এ-দিল।

ধর্মগুরু হলেও রাম রহিমের পছন্দ শিফনের রঙবেরঙের জামা, বাহারি জুতো। তার জামাকাপড় তৈরির জন্য নিজস্ব ফ্যাশন ডিজাইনার রয়েছেন। রয়েছেন নিজস্ব হেয়ার ড্রেসার-ও। রাম রহিমের কনভয়ে বিলাসবহুল ১০০টি গাড়ি। তার মধ্যে ১৬টি কালো রঙের ফোর্ড এনডেভার। বাবা প্রাসাদ থেকে বের হলে সব গাড়ি তাঁবু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। বাবা নিজেই ঠিক করেন, তিনি কোন গাড়িতে উঠবেন। আশ্রমে নিজের ব্যাটারিচালিত গাড়িতেই ঘোরেন তিনি। ভারতে যে ৩৬ জন চলাফেরায় ভিভিআইপি প্রটৌকল পান রাম রহিম তাদের একজন।
সিরসায় ডেরা সচ্চা সৌদার এই সদর দফতর আসলে নিছক আশ্রম নয়। ছোটখাটো শহর। ডেরা-র ভিতরেই চাল, ডাল, আনাজের চাষ হয়। হোটেল, সিনেমা হল, স্কুল, রেস্তোরাঁ, মাল্টি- স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল, স্টুডিও, বায়ো-গ্যাস কারখানা, পেট্রোল পাম্প, সংবাদপত্রের ছাপাখানা সবই রয়েছে। এক সঙ্গে ১০ হাজার জামাকাপড় কাচার ক্ষমতাসম্পন্ন ওয়াশিং মেশিনও রয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রয়েছে কন্ট্রোল রুম, গোটা ডেরা জুড়ে নজরদারি ব্যবস্থা।
ডেরা-র বাইরেও রাম রহিমের দাপট কম নয়। ডেরা সচ্চা সৌদা সিরসায় একটি নিজস্ব বাজার তৈরি করেছে। সিরসা ছাড়াও দেশেবিদেশে আরও ৪৬টি আশ্রম রয়েছে রাম রহিমের। রাম রহিম নিজেকে মেসেঞ্জার অফ গড বলেন। তাঁর এমএসজি ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু-তেল-সাবানের মতো হাজারো সামগ্রীর ব্যবসাও চলে এই আশ্রম থেকেই। আশ্রমে রাম রহিমের প্রবচন শুনতে দিনে গড়ে ৩০ হাজার লোক জড়ো হয়। মাত্র ছমিনিট ভক্তদের উপদেশ দেন। তার পরেই মঞ্চে ডিজে উঠে গান বাজাতে শুরু করেন।
মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই সিরসার ডেরা-য় মিউজিক্যাল কার্নিভাল-এর আয়োজন হয়েছিল। ১২ অগস্ট রাতের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন অন্তত ৭০ লক্ষ মানুষ। মাঝরাতে মঞ্চে ওঠেন রাম রহিম। অদ্ভূতদর্শন লাল রঙের আলো ঝলমলে গাড়িতে। তার পর গান শোনাতে শুরু করেন। জলসা চলে রাত তিনটে পর্যন্ত। রাম রহিম অবশ্য শখানেক কনসার্ট করেছেন। বাবাজি ১৫ অগস্টেই ৫০ বছরে পা দিলেন। সেদিন ৩ ইঞ্চি মোটা, ৪২৭.২৫ বর্গফুটের কেক তৈরি হয়েছিল। তার উপরে একসঙ্গে দেড় লক্ষ মোমবাতি জ্বালানো হয়েছিল। সূত্র আনন্দবাজার।

User Comments

  • বিনোদন