২১ জুন ২০১৯ ৫:৩১:৩৮
logo
logo banner
HeadLine
সবাইকে তিনটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ৩০ জুন সন্দ্বীপ পৌরসভার বাজেট উপস্থাপন * প্রবৃদ্ধিতে এশিয়া-প্যাসিফিকে শীর্ষে বাংলাদেশ: এডিবি * চলতি অর্থবছরের ১৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস * সন্দ্বীপ পৌরসভায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯ উদ্ভোধন * দূর্দান্ত জয় টূর্ণামেন্টে ফিরল টাইগাররা * ৩২২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে বাংলাদেশ * টিকে থাকার ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে লিটন * ব্যাংকে টাকা আছে তবে লুটে খাওয়ার টাকা নেই: সংসদে প্রধানমন্ত্রী * সামনে দেশী-বিদেশী নানা চক্রান্ত ষড়যন্ত্র, ওসব মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকুন - প্রধানমন্ত্রী * চট্টগ্রামে বিশ্বমানের সেবা নিয়ে আজ যাত্রা শুরু করছে ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল * ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে না আনলে কঠোর ব্যবস্থার হুশিয়ারি * পত্রিকা-টিভির মালিকদের ঋণের খবর নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী * অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর * ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ কোটি যুবকের কর্মসংস্থান করা হবে * নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী 'আমার গ্রাম আমার শহর' বাস্তবায়নে ৬৬২৩৪ কোটি টাকা * এই বাজেটে ধনী ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে সরকার: বিএনপি * এ বাজেট জনকল্যাণমুখী: বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী * ২০১৯-২০ বাজেট বক্তৃতায় দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নের ইতিবাচক কিছু তথ্য * একনজরে স্বাধীন বাংলাদেশের সকল বাজেট : ৭৮৬ কোটি থেকে ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা * যুবদের 'ব্যবসা উদ্যোগ' সৃষ্টিতে ১০০ কোটি টাকা * পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের করমুক্ত আয়সীমা দ্বিগুন হল * পোশাক শিল্পে প্রণোদনা ২৮২৫ কোটি টাকা * আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে * বাজেটে সবার জন্য পেনশন ব্যবস্থা * মুক্তিযোদ্ধাসহ ভাতা বাড়ল যাদের * করমুক্ত আয়ের সীমা থাকছে আগের মতোই * প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৮ দশমিক ২০ * করদাতার সংখ্যা শিগগির এক কোটিতে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী * বাজেট কর্মমুখী, আছে কিছু হতাশাও *
     21,2018 Tuesday at 09:33:04 Share

কাল পবিত্র ইদ উল আযহা

কাল পবিত্র ইদ উল আযহা

আজ রাত পোহালেই আগামী কাল  আমাদের দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। ত্যাগের মহিমা ও উৎসব আমেজে সমৃদ্ধ এ ঈদ পালনে প্রস্তুত সারাদেশের মুসলমানরা। পশু কোরবানিই এ ঈদের ইবাদত। এর আগে ঈদের নামাজে ধনী গরিব নির্বিশেষে একই কাতারে শামিল হয়ে মহান স্রষ্টার সান্নিধ্য কামনা করবেন। নামাজ আদায়ের পরপরই পশু কোরবানির জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠবেন মুসলমানরা। এরপর গরিবের মাঝে মাংস বিতরণের মধ্যদিয়ে কোরবানির মহান আদর্শ সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে দেয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন বরাবরের মতো।


ঈদুল আজহা একদিকে যেমন সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেকে সমর্পণ, অন্যদিকে কোরবানির মাংস বণ্টনের মাধ্যমে ধনী গরিবের আত্মিক মিলনও।


ঈদুল আজহাকে ঘিরে চারদিকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা এবং উৎসবের আমেজ। ঈদের দিন সকালে পশু কোরবানি দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে অধিকাংশ কোরবানিদাতা নিজেদের পছন্দের পশু কিনে ফেলেছেন। অনেকে আজ মঙ্গলবার শেষমুহূর্তে পশু ক্রয় করবেন। কারণ বাসায় রাখার ঝামেলা থেকে বাঁচতে অনেকে একেবারে শেষ মুহূর্তে কোরবানির পশু কিনেন। পাশাপাশি গরু জবাই সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কসাই ঠিক করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সবমিলে গরু কেনাকাটা সাঙ্গ করা, কোরবানিদাতারা মাংস কাটার সময় ব্যবহৃত গুঁড়ি, দা, ছুরিসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে রয়েছেন। শহর গ্রাম সবখানেই ঈদের আমেজ। শহরে বসবাস করা অধিকাংশ মানুষ গ্রামে ছুটে গেছেন ঈদ করার জন্য। গ্রামে যারা ঈদ করবেন পশু কেনাকাটার কাজটি তারা সেখানেই সম্পন্ন করার জন্য ছুটছেন।


প্রতি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ত্যাগ ও আনন্দের বার্তা নিয়ে মুসলমানদের দুয়ারে হাজির হয় ঈদুল আজহা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী তার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট পশু কোরবানি করবেন সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমান। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে নিজের সবচেয়ে প্রিয় পাত্র পুত্র হজরত ইসমাঈলকে (আ.) কোরবানি করার উদ্যোগী হন। গলায় ছুরিও চালানো হয়। কিন্তু আল্লাহর কুদরতে হজরত ইসমাঈল (আ.) এর পরিবর্তে দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। সেই থেকেই চালু হয় কোরবানিতে পশু জবাই করার বিধান। ইবরাহিম (আ.) এর সেই ত্যাগের মহিমা স্মরণ করে মুসলমানরা প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহর অনুগ্রহ কামনায় পশু কোরবানি করেন। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব। ১১ ও ১২ জিলহজও পশু কোরবানি করার সুযোগ রয়েছে। কোরবানির মধ্য দিয়ে নিজের ভেতরের পশুত্বকে পরিহার করা এবং হজরত ইবরাহিম (আ.) এর মহান আত্মত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কোরবানির দিনের শুরুতেই সবাই ঈদগাহে যাবেন ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করতে। নামাজ শেষে খুতবার পর আনন্দের দিনে অশ্রুসিক্ত হয়ে চিরকালের জন্য চলে যাওয়া স্বজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আল্লাহর দরবারে কড়জোরে মোনাজাত করবেন। ধনী–গরিবের ভেদাভেদ ভুলে এক সঙ্গে নামাজ আদায়ের পর শুরু হবে ঈদের দিনের সবচেয়ে মনোরম পর্ব কোলাকুলি। ঈদের নামাজ শেষে আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশে পশু কোরবানি এ ঈদের প্রধান কর্তব্য।

User Comments

  • ধর্ম ও নৈতিকতা