২০ মার্চ ২০১৯ ২০:৪:০৬
logo
logo banner
HeadLine
মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৯০৯ ডলার * আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সকল পরীক্ষা তুলে দেওয়ার নির্দেশ * পদ্মাসেতুর রোডওয়েতে স্ল্যাব বসানোর কাজ শুরু, ২১ মার্চ বসছে নবম স্প্যান * ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি শুরু, দোয়া প্রার্থনা * নিউজিল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণেও সতর্কতা জারি করল বাংলাদেশ * বাকশাল ছিলো সর্বোত্তম পন্থা, বাকশাল থাকলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না - প্রধানমন্ত্রী * নিউ জিল্যান্ডে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ * নির্বাচন শেষে ফেরার পথে বাঘাইছড়িতে গুলিতে প্রিজাইডিং অফিসারসহ নিহত ৬ * '৩০ সেকেন্ড এদিক-ওদিক হলেই আমাদের লাশ দেশে ফিরতো' * বাংলাদেশের বিপ্লব, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতির পিতার নেতৃত্ব * যেখানে জনক তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী * বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * বাঙালির একমাত্র মহানায়ক * ক্রাইস্টচার্চে হামলায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক এবং নিন্দা, সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার * ক্রাইস্টচার্চে হামলায় ৩ বাংলাদেশীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ * বিশ্বজুড়ে ফেইসবুক ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে * একদিনে চার রকম কথা বললেন নুর * রোহিঙ্গাদের কোথায় রাখা হবে তা বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় * শিক্ষার জন্য শিশুদের অতিরিক্ত চাপ দেওয়া উচিত নয়: প্রধানমন্ত্রী * ওবায়দুল কাদেরের অবস্থার আরও উন্নতি, আইসিইউ থেকে নেয়া হয়ছে কেবিনে * ডাকসু নির্বাচন : ভিপি নুর, জিএস রাব্বানী * সিইসির খন্ডিত বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক করা উচিত নয় - মাহবুব-উল আলম হানিফ * প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন: আ.লীগ ৫৫, অন্যান্য ২৩, স্থগিত ৯ * আহমদ শফীকে নিয়ে মেননের বক্তব্য একপাঞ্জ চাইলেন কাজী ফিরোজ রশীদ * ডাকসু নির্বাচন কাল: একনজরে প্যানেল পরিচিতি * আত্মত্যাগ ছাড়া কোনো কিছু অর্জন সম্ভব না : প্রধানমন্ত্রী * লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট পদক পেলেন শেখ হাসিনা * চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ঘিরে উন্নয়ন মহাযজ্ঞ, খুলে যাচ্ছে বিনিয়োগের অফুরান দুয়ার * ৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চেয়ে সৌদির সাথে বিদ্যুত, জ্বালানি ও জনশক্তিসহ কয়েকটি এবং সমঝোতা স্মারক সই * কৃত্রিম সাপোর্ট ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে ওবায়দুল কাদেরের হৃদপিন্ড *
     06,2018 Tuesday at 19:33:23 Share

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে: ড. কামাল

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে: ড. কামাল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য সকলকে আপোষহীনভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। মঙ্গলবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। 


 


সংক্ষিপ্তি বক্তব্যে ড. কামাল বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি ঐক্যবদ্ধ থাকব। সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে। আপনাদের সবাইকে ভোটাধিকারের পাহাড়া দিতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপোষহীনভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়ে যাব। সামনে আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করব। আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে তা বাস্তবায়ন করবেন। 


 


সমাবেশে আসতে বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেয়ারও কঠোর সমালোচনা করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আইন ইচ্ছা করে বদলানো যায় না। আইন আইনই থাকে। বিরোধী দলের জন্যও আইন, সরকারি দলের জন্যও আইন। এটা হয় না, যে সরকারি দল সব আইনের উর্ধ্বে; আর বিরোধী দলের নেতানেত্রীদের যেনতেনভাবে হয়রানি করা হবে, জেলে রাখা হবে। এটা বন্ধ করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে এটা চলতে পারে না। নির্বাচিত সরকারও করতে পারে না। আর অনির্বাচিত সরকারের জন্য তো এটা অপরাধ। আজ হোক বা কাল হোক এর জবাব দিতে হবে। 


 


তিনি বলেন, ক্ষমতার মালিক জনগণ। কোনো দলের কর্মী হিসেবে নয় দেশে মালিক হিসেবে আপনাদের দাঁড়াতে হবে। রাস্তা বন্ধ করে জনগণকে নিষ্ক্রিয় করে সমাবেশ বন্ধ করা যাবে না। এটা কোনও ব্যক্তির রাষ্ট্র না। বাধা বিপত্তি মাথা পেতে নেব না। এই দেশে কোনো রাজতন্ত্র মহারানী বা মহারাজা নেই। বৃহত্তরও ঐক্যের ভিত্তিতে আপনাদের আমাদের সকলকে দাঁড়াতে হবে। আমাদের অধিকার আমরা অবশ্যই ফিরিয়ে আনব। জনগণ জেগেছে, এই জাগরণের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিক করা হবে। 


 


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে কামাল হোসেন বলেন, আজকে আইনের শাসন অনুপস্থিত। যাকে তাকে যেনতেনভাবে ধরে নিয়ে জেলে নিয়ে অন্তরীণ করা হচ্ছে। আমি বেগম জিয়ার মুক্তি দাবি করছি। অন্যান্য যারা রাজনৈতিক নেতাকর্মী বন্দি তাদের মুক্তি দাবি করছি। দেশের বিরোধী দলীয় নেত্রীকে যেখানে শ্রদ্ধা জানানো হবে না, সেই দেশে গণতন্ত্র চলতে পারে না। 


 


২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. কামাল বলেন, আমি ছিলাম কোর্টের সামনে। আপনারা বলেছেন, সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটা নির্বাচন করবেন। অথচ পুরো ৫ বছর চালিয়ে দিলেন। সরকারের কথার এক পয়সারও দাম নাই, সেটা এবার প্রমাণ হয়েছে। এটা কেমন বিবেক ও আইনের শাসন সংবিধানের পরিচয়। সংবিধানকে ষোলো আনা অপেক্ষা করা হয়েছে।


 


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জাসদ সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। 


 

User Comments

  • আরো