৩০ মে ২০২০ ১৯:৪৩:৪৯
logo
logo banner
HeadLine
৩০ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৭৬৪, মৃত ২৮ * স্বাস্থ্যবিধি মতো পরিস্থিতি মানিয়ে চলার ওপর গুরুত্ব সরকারের * সব হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ * ২৯ মে : পরীক্ষার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমন, দেশে আজ শনাক্ত আরও ২৫২৩ * করোনা পরীক্ষার অনুমতি পেল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় * ২৮ মে: চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২২৯ * এ পর্যন্ত ৬ কোটি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সরকার * সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল, বৃষ্টিপাত থাকতে পারে আরও ৩ দিন * ২৮ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ২০২৯, মৃত ১৫ * ১৫ শর্তে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলাচল সীমিত করে অফিস ও গণপরিবহন চালু * চট্টগ্রাম সিটিতে ১২টি করোনা টেস্টিং বুথ বসানোর উদ্যোগ মেয়রের * ২৭ মে : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২১৫ * ২৭ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৫৪১, মৃত ২২ * সহসাই অনলাইন সংবাদ পোর্টালের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার হবে : তথ্যমন্ত্রী * চট্টগ্রামে করোনার চিকিৎসায় যুক্ত হচ্ছে বেসরকারী হাসপাতাল ইম্পেরিয়াল ও ইউএসটিসি * ২৬ মে : ল্যাব প্রধানসহ চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৯৮ * ২৬ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১১৬৬, মৃত ২১ * বায়ুচাপের তারতম্যে, সমুদ্রবন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত * করোনা সংকটে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান রাষ্ট্রপতির * যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন * যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও ঈদ উপহার * ২৫ মে : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১৭৯ * যুক্তরাষ্ট্রে পিপিই রপ্তানি শুরু করলো বাংলাদেশ * ২৫ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৯৭৫, মৃত ২১ * ২৪ মে : চট্টগ্রামে আরও ৬৫ জনের করোনা শনাক্ত * আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা * করোনায় মারা গেলেন এনএসআই কর্মকর্তা সন্দ্বীপের নাছির উদ্দিন * সন্দ্বীপবাসীকে পবিত্র ইদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র * ২৪ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৫৩২, মৃত ২৮ * করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চলবে সরকারি সহায়তা, জীবন-জীবিকার স্বার্থে চালু করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড - প্রধানমন্ত্রী *
     19,2018 Monday at 19:00:40 Share

ড: কামালের মুখ ও মুখোশ!

ড: কামালের মুখ ও মুখোশ!

ফজলুল বারী: বাংলাদেশ তথা ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রথম ছবির নাম ছিলমুখ মুখোশ কালেক্রমে এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক ব্যবহৃত শব্দ এবং উপমা কামাল হোসেনের অতীত সাম্প্রতিক রাজনীতির বিশ্লেষনে উপমাটি কেনো নিলাম তা আজ ব্যাখ্যা করবো ব্যাখ্যাটির জন্যেও যে বিশাল ক্যানভাস দরকার তাও এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করবো কারন বেশি বড় লেখা পাঠক পছন্দ করেননা অত সময়ও তাদের নেই সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করবো সবকিছু


কামাল হোসেনের মোটা দাগের পরিচয় তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ন কমিটির সভাপতি। বঙ্গবন্ধু সরকারের আইনমন্ত্রী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বিশাল হৃদয় দিয়ে এমন অনেককে অনেক কিছু করে দিয়েছিলেন। অপাত্রে অনেক দানও ছিল। ঠকবাজ সাময়িক হয়তো মনে করেছে বঙ্গবন্ধুকে ঠকে দিলাম। কিন্তু ঠকতো ঠকই। সে কখনো আসল হয়না। তাঁর তেমন একটি অপাত্রের নাম এই কামাল হোসেন। নির্বাচনে জয়ের কোন যোগ্যতা অথবা আসন তার ছিলোনা। কারন বরিশালের যেখানে তার বাড়ি সেখানকার লোকজনের সঙ্গে তার কোনদিন কোন যোগাযোগ ছিলোনা। এখনও নেই। অতএব বঙ্গবন্ধু তাঁর নির্বাচিত একটি আসন ছেড়ে দিয়ে তার স্নেহের কামালকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি করে এনেছিলেন। এটিই কামালের প্রথম শেষ সংসদীয় জীবন। কিন্তু অকৃতজ্ঞ কামাল বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়ার আশেপাশেও কোথাও ছিলেননা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ার আশেপাশেও ছিলেননা। আইন ব্যবসায়ী কামাল দেশে যখনই ছিলেন আইনজীবীর কালো আলখেল্লা পরে আদালত পাড়ায় গেছেন। কিন্তু দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দুটি মামলা যখন যে কোর্টে চলেছে তিনি সেদিকটায় ভুলেও ঢু মারেননি। অতএব মোটা দাগে বলা চলে কামালের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান তাই কাকতালীয় বা হঠাৎ সৃষ্ট কোন আসমানি ওহী নয়। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার অংশ


একটু পুরনো সময়ের দিকে যাই। স্বাধীনতার আগে পরে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ছিল জোট নিরপেক্ষ বিশাল ক্যানভাসের। এবং সবকিছুর মূল স্বার্থ ছিল বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ। তাঁর নেতৃত্বের আওয়ামী লীগের মধ্যে নানান খোলা জানালা ছিল। তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন ধর্ম নিরপেক্ষ সমাজতান্ত্রিক চিন্তার। সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে তার ভালো যোগাযোগ সম্পর্ক ছিল। যা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছে। খন্দকার মোশতাক- কামালরা ছিলেন পুজিবাদী মার্কিন লবীর ঘনিষ্ঠ। মার্কিন বিরোধিতার মুখে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও খন্দকার মোশতাকের ভূমিকা গোপন থাকেনি। কামাল যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে স্বেচ্ছা বন্দিত্ব নেন তাই তখন তার ভূমিকা জানা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের পর এরা আবার স্বরূপে আবির্ভূত হন। অনেকে বলার চেষ্টা করতে পারেন এসবতো হয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রশ্রয়ে। তা ঠিক। সেই যে আগেই বলেছি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ক্যানভাসটি ছিল অনেক বড়। সবকিছুর উর্ধে ছিল বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ। একটি যুদ্ধ বিধবস্ত দেশ গড়ে তুলতে তিনি সবার সহযোগিতা চেয়েছেন এবং নিয়েছেনও। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও। কিন্তু স্নেহের লোকগুলো যে তাকে হত্যাও করতে পারে তা তার মতো বিশাল হৃদয়ের মানুষ ভাবতে পারেননি। যার নামে একটি দেশ স্বাধীন হয়েছে সে দেশের লোকজন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারে এটা তখন বাংলাদেশের কে ভেবেছে? বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ছিল মার্কিন লবীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন করার প্রতিশোধ। মার্কিন লবী এটি তার এদেশীয় এজেন্টদের দিয়ে তা করিয়েছে


বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় কামাল ছিলেন বিদেশে। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর বইতে পড়ুন। জার্মানিতে শেখ হাসিনা-শেখ রেহানার সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী কিন্তু বিদেশে থাকা স্বত্ত্বেও কামালকে দিয়ে এই হত্যাকান্ডের নিন্দা-প্রতিবাদ করানো যায়নি। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করানো ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া সংগঠন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য বিশৃংখল করে দেবার পরিকল্পনার অংশ। যে পরিকল্পনা নিয়ে তখন মাঠে নামেন জিয়া। আওয়ামী লীগকে শর্ত দেয়া হয় বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে তারা দল করতে পারবেনা। বাংলাদেশ স্বাধীন করার কি শাস্তি! বঙ্গবন্ধুর নাম নেয়া যাবেনা! কী মহান মুক্তিযোদ্ধা জিয়া! বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কেউ বঙ্গবন্ধুর নাম নিতে পারবেনা! সেই বিশ্বাসঘাতক জিয়া, তার দল এখন কামালদের কাছে মহান গণতন্ত্রী! যে খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার আটকে দিয়েছিলেন সেই খালেদা এখন কামালের কাছে গনতন্ত্রের মহান নেত্রী! গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কামালরা সমবেত বিএনপির পিছনে? সামরিক জেনারেলের দল বিএনপি এখন সংবিধান প্রনেতা কামালের পয়লা নাম্বার পছন্দ? মুখোশের এই অংশটা

User Comments

  • আরো