২০ মার্চ ২০১৯ ২০:১৪:৩৭
logo
logo banner
HeadLine
মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৯০৯ ডলার * আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সকল পরীক্ষা তুলে দেওয়ার নির্দেশ * পদ্মাসেতুর রোডওয়েতে স্ল্যাব বসানোর কাজ শুরু, ২১ মার্চ বসছে নবম স্প্যান * ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি শুরু, দোয়া প্রার্থনা * নিউজিল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণেও সতর্কতা জারি করল বাংলাদেশ * বাকশাল ছিলো সর্বোত্তম পন্থা, বাকশাল থাকলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না - প্রধানমন্ত্রী * নিউ জিল্যান্ডে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ * নির্বাচন শেষে ফেরার পথে বাঘাইছড়িতে গুলিতে প্রিজাইডিং অফিসারসহ নিহত ৬ * '৩০ সেকেন্ড এদিক-ওদিক হলেই আমাদের লাশ দেশে ফিরতো' * বাংলাদেশের বিপ্লব, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতির পিতার নেতৃত্ব * যেখানে জনক তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী * বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * বাঙালির একমাত্র মহানায়ক * ক্রাইস্টচার্চে হামলায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক এবং নিন্দা, সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার * ক্রাইস্টচার্চে হামলায় ৩ বাংলাদেশীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ * বিশ্বজুড়ে ফেইসবুক ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে * একদিনে চার রকম কথা বললেন নুর * রোহিঙ্গাদের কোথায় রাখা হবে তা বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় * শিক্ষার জন্য শিশুদের অতিরিক্ত চাপ দেওয়া উচিত নয়: প্রধানমন্ত্রী * ওবায়দুল কাদেরের অবস্থার আরও উন্নতি, আইসিইউ থেকে নেয়া হয়ছে কেবিনে * ডাকসু নির্বাচন : ভিপি নুর, জিএস রাব্বানী * সিইসির খন্ডিত বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক করা উচিত নয় - মাহবুব-উল আলম হানিফ * প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন: আ.লীগ ৫৫, অন্যান্য ২৩, স্থগিত ৯ * আহমদ শফীকে নিয়ে মেননের বক্তব্য একপাঞ্জ চাইলেন কাজী ফিরোজ রশীদ * ডাকসু নির্বাচন কাল: একনজরে প্যানেল পরিচিতি * আত্মত্যাগ ছাড়া কোনো কিছু অর্জন সম্ভব না : প্রধানমন্ত্রী * লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট পদক পেলেন শেখ হাসিনা * চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ঘিরে উন্নয়ন মহাযজ্ঞ, খুলে যাচ্ছে বিনিয়োগের অফুরান দুয়ার * ৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চেয়ে সৌদির সাথে বিদ্যুত, জ্বালানি ও জনশক্তিসহ কয়েকটি এবং সমঝোতা স্মারক সই * কৃত্রিম সাপোর্ট ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে ওবায়দুল কাদেরের হৃদপিন্ড *
     04,2019 Friday at 10:03:50 Share

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যু : রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির শোক; লাশ আসছে কাল

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যু : রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির শোক; লাশ আসছে কাল

জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ৯টা ৪০ মিনিটে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানান সৈয়দ আশরাফের ব্যক্তিগত সহকারী তোফাজ্জল হোসেন। আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য ও সৈয়দ আশরাফের আত্মীয় আনোয়ারুল কবীরও তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

সৈয়দ আশরাফুলের মৃত্যুতে গভীর শোক  প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পৃথক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাতক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ  প্রকাশ করেন।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ব্যক্তিগত সহকারী তোফাজ্জল জানান, মৃতকালে সৈয়দ আশরাফের মেয়ে রীমা ইসলাম, ভাই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাফায়েতুল ইসলাম, তাদের দুই বোনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তার পাশে ছিলেন।


রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়, সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শোক জানিয়েছেন।


শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সৈয়দ আশরাফের মৃত্যু বাংলাদেশর রাজনীতিতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। গণতন্ত্র, রাজনীতি ও সমাজ উন্নয়নে তার অবদান মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ রাষ্ট্রপতি তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে এক শোকবার্তায় জানানো হয়, সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেন।


প্রধানমন্ত্রী তার শোকবার্তায় দেশের রাজনীতিতে তার অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘তার মৃত্যুতে জাতি একজন অত্যন্ত সৎ, নিবেদিত প্রাণ ও সাহসী নেতাকে হারালো। এতে দেশের রাজনীতি তথা আওয়ামী লীগের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে দেশ ও জাতি শোকে মুহ্যমান। বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের অত্যন্ত সুযোগ্য পুত্র সৈয়দ আশরাফ ছিলেন পুরোদস্তুর সৎ ব্যক্তিত্ব, দক্ষ সংগঠক ও গণমানুষের নেতা।’ প্রধানমন্ত্রী ১/১১-এর দুঃসময়ে তার বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের হৃদয়ে এই জননেতা চিরদিন তার কীর্তির মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন।’
শেখ হাসিনা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীও গভীর শোক প্রকাশ করেন।


এক শোকবাণীতে স্পিকার বলেন, ‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছিলেন নির্লোভ রাজনীতিবিদ। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারালো। এ দেশের জন্য তার অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। বর্তমান সময়ে তার ন্যায় রাজনীতিবিদের খুব প্রয়োজন ছিল।’


স্পিকার সৈয়দ আশরাফের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।


সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি এবং চিফ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ এমপি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। 


এদিকে, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান গনমাধ্যমকে জানান ‘সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে বাংলাদেশে একজন সজ্জন রাজনীতিকের অনুপস্থিতি তৈরি হলো’ বলে জানান ঐক্যফ্রন্টের আহ্ববায়ক ড. কামাল হোসেন।


শায়রুল কবির খান জানান, সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শায়রুল কবির খান সৈয়দ আশরাফের জীবনাবসান প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলাদেশের সুস্থধারার দুই রাজনীতিক মির্জা ফখরুল ও সৈয়দ আশরাফ ২০১৪ সালে রাজনৈতিক সংকটে ভূমিকা রেখেছিলেন। আজকে তাদের একজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শূন্যতা সৃষ্টি হলো। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন সৈয়দ আশরাফ।’


সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার নিয়ে তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও তিনি চিকিৎসাধীন থাকায় শপথ নেওয়ার জন্য চিঠির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে সময় চেয়েছিলেন।


সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুকিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আশরাফুল ৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মুজিব  বাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ড. ফখরুদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আব্দুল জলিল গ্রেফতার হলে  সৈয়দ আশরাফুল আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।


১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্য তিন জাতীয় নেতার সঙ্গে আশরাফুলের পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামকে হত্যা করা হয়। পিতার মৃত্যুর পর সৈয়দ আশরাফুল যুক্তরাজ্যে চলে যান এবং লন্ডনের হ্যামলেট টাওয়ারে বসবাস শুরু করেন। লন্ডনে বসবাস কালে তিনি বাংলা কমিউনিটির বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। সেসময় তিনি লন্ডনে বাংলাদেশ যুব লীগের সদস্য ছিলেন। আশরাফুল ফেডারেশন অব বাংলাদেশি ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (এফবিওয়াইইউ) এর শিক্ষা সম্পাদক নির্বাচিত হন।


১৯৯৬ সালে আশরাফুল দেশে ফিরে আসেন এবং জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।
২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মন্ত্রিসভা গঠিত হলে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পুনরায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই  তাকে দফতরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। একমাস এক সপ্তাহ দফতরবিহীন মন্ত্রী থাকার পর ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে রাখা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন।
সৈয়দ আশরাফুলের স্ত্রী  শীলা ইসলাম  লন্ডনে শিক্ষকতা করতেন। ২৩ অক্টোবর ২০১৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাদের একমাত্র মেয়ে  রীমা ইসলাম পেশায় একজন ব্যাংকার ।
৬৮ বছর বয়সী সৈয়দ আশরাফ ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন


 সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের লাশ আগামীকাল বিকাল ৪টায় ব্যাংকক থেকে দেশে পাঠানো হবে, যা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছাতে পারে।


সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ব্যক্তিগত সহকারী তোফাজ্জল হোসেন সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

User Comments

  • জাতীয়