২০ জানুয়ারি ২০১৯ ১৫:১:৫৬
logo
logo banner
HeadLine
দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ, মাদক, সন্ত্রাস দূর করতে হবে: সোহরাওয়ার্দীর বিজয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী * ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলের সযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী * হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া কমানোর ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রীকে 'হাব' এর অভিনন্দন * ২৭শ' ইউনিয়নে বিনামূল্যে তিন মাস ইন্টারনেট * আজ সোহরাওয়ার্দীতে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ * এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের * সাভারে ধর্ষণ মামলার মুল আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার * 'সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে, এখন দুর্নীতি করলে ছাড় দেওয়া হবে না' * প্রধানমন্ত্রীর নামে ৬টি ভুয়া ফেসবুক পেইজসহ ৩৬টি পেইজ চালাতেন ফারুক * কোচিং বাণিজ্য বন্ধসহ ৫ নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী * নির্বাচন নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত - তথ্যমন্ত্রী * টিআইবির প্রতিবেদন ভিত্তিহীন - সিইসি * সরকারের শুরুতেই সুশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু * বিশ্বের বৃহত্তম দোসা বানালেন চেন্নাইয়ের একদল রাঁধুনি * কমোডের চেয়েও বেশি জীবাণু স্মার্টফোনে! * সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু * অস্থির বাজারেও চালের দাম কমছে খাতুনগঞ্জে * ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারি: তথ্যমন্ত্রী * মালিক-শ্রমিক-সরকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, ৬ গ্রেডে বেতন বাড়ল পোশাকশ্রমিকদের * দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে: প্রধানমন্ত্রী * সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা, কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে এলাকা আটকানোর পরিকল্পনা * গণতন্ত্রের স্বার্থে সংসদে আসা উচিত : প্রধানমন্ত্রী * নতুন সরকার ও দল শক্তিশালী করতে করণীয় নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক * আগামী ৫ দিন দেশব্যাপী বইবে মৃদু থেকে মাঝারী শৈত্যপ্রবাহ থাকবে কুয়াশাও * ওরা যেন আর ফিরে না আসে - নির্বাচনে অগ্নিসন্ত্রাসীদের প্রত্যাখ্যান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী * জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা সদস্যদের শ্রদ্ধা * আজ জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস * পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত, অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন * একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ৩০ জানুয়ারি * সন্দ্বীপে গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী কালা মনির নিহত *
     10,2019 Thursday at 09:24:39 Share

আজ জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

আজ জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য চিত্তভাবনাহীন, তুমি ফিরে এলে অপূর্ণতা ঘুচে, বাংলাদেশ হলো পূর্ণ স্বাধীন।’ ‘মৃত্যুর দুয়ার ভেঙ্গে অমরত্ব লভিয়াছ/ তুমি জ্যোতির্ময়/ পূর্ণ কর স্বাধীনতা মুক্ত কর ভয়/ তোমারই আজ জয়।’


আজ ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি। বাঙালীর মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি এক অনন্য দিন। স্বাধীন রাষ্ট্রের মহান স্থপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ’৭২ সালের এ দিনেই পাকিস্তানে দীর্ঘ কারাবাস শেষে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সদ্য স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন বাঙালীর অবিসংবাদিত এ নেতা। জাতির জনক স্বয়ং তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা।’


নয় মাসের সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হলেও প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধুর দেশে ফিরে আসার মধ্য দিয়েই বাঙালী বিজয়ের পূর্ণতা লাভ করে। জীবন মৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ঙ্কর অধ্যায় পার হয়ে সারা জীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তনেই পূর্ণতা পায় স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয়। এ কারণেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।


একাত্তরের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দিয়েছিলেন- ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণার পর ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। অপারেশন সার্চলাইট নামের এ অভিযানের শুরুতেই পাক হানাদাররা বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানম-ির বাসা থেকে বন্দী করে নিয়ে যায়। গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু। এ ঘোষণার মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ লড়াই শুরুর ডাক দেন তিনি।


গ্রেফতার করে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী করা হলেও তাঁর অনুপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর নামেই পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। বাঙালী যখন প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সেলের পাশে তাঁর জন্য কবর পর্যন্ত খোঁড়া হয়েছিল। কিন্তু বাঙালীর স্বাধীনতা, মুক্তির প্রশ্নে ফাঁসির আসামি হয়েও বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিচল, আপোসহীন।


এদিকে বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তাঁকেই রাষ্ট্রপতি করে গঠিত হয় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার। ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে খ্যাত এ সরকারের নেতৃত্বে মরণপণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোটা বাঙালী। দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র সে যুদ্ধে বহু ত্যাগ আর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ’৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জাতি বিজয়ের লালসূর্য ছিনিয়ে আনে। স্বাধীনতাকামী বাঙালী দীর্ঘ নয় মাস মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন করার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতেও বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তোলে।


১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও বাঙালী জাতির মনে ছিল না স্বস্তি, বিজয়ের আনন্দ। পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী জাতির জনকের ভাগ্যে কী আছে- এ নিয়ে এ ভূখ-ের প্রতিটি মানুষ ছিল বিচলিত, আতঙ্কিত। চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার পর বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। পরে পরাজিত পাকি শাসকগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত বন্দীদশা থেকে বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। পরাজিত পাকি নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো নিজে বঙ্গবন্ধুকে বিমানে তুলে দেন অবনত মস্তকে।


জাতির জনক পাকিস্তান থেকে ছাড়া পান ’৭২ সালের ৭ জানুয়ারি ভোর রাতে। এদিন বঙ্গবন্ধুকে পিআইএর একটি বিশেষ বিমানে তুলে দেয়া হয়। সকাল সাড়ে ছয়টায় তিনি পৌঁছান লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে। বেলা দশটার পর থেকে তিনি কথা বলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ, তাজউদ্দিন আহমদ ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ অনেকের সঙ্গে। পরে ব্রিটেনের বিমান বাহিনীর একটি বিমান করে পরদিন ৯ জানুয়ারি দেশের পথে যাত্রা করেন বঙ্গবন্ধু।


লন্ডনে সাংবাদিকদের কাছে দেয়া এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু বলেন, পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে বিচারের নামে একটি প্রহসন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শুনানি অর্ধেক সমাপ্ত হওয়ার পর পাক কর্তৃপক্ষ আমার পক্ষ সমর্থনের জন্যে একজন আইনজীবী নিয়োগ করে। আমি কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে দেশদ্রোহীর কলঙ্ক নিয়ে মৃত্যুদ-ের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু সবচেয়ে বিস্ময়কর, আমার বিচারের জন্য যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল তার রায় কখনও প্রকাশ করা হবে না। পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান বিচারের নামে প্রহসন অনুষ্ঠান করে আমাকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলানোর ফন্দি আঁটেন।


বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশের জনগণের মতো এত উচ্চমূল্য, এত ভয়াবহ ও বিভীষিকাময় জীবন ও দুর্ভোগ আর কোন মানুষকে ভোগ করতে হয়নি। বাংলাদেশে নির্মম হত্যাকা- ঘটানোর জন্য পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী দায়ী। হিটলার যদি আজ বেঁচে থাকত, বাংলাদেশের গণহত্যায় সেও লজ্জা পেত। আমি আর এক মুহূর্ত এখানে থাকতে রাজি নই। আমি আমার জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই।’


লন্ডন থেকে রওনা হয়ে ১০ জানুয়ারি সকালেই বঙ্গবন্ধু নামেন দিল্লীতে। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র মন্ত্রিসভা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধানরা এবং অন্যান্য অতিথি ও সে দেশের জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ সংবর্ধনা লাভ করেন সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশের জনক শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু ভারতের নেতৃবৃন্দ ও জনগণের কাছে তাদের অকৃপণ সাহায্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।


বিজয়ীর বেশে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে ১০ জানুয়ারি প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন বাঙালীর নয়নমণি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লন্ডন-দিল্লী হয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছান ’৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হানাদারমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন বিজয়ের মালা পরে।


সেদিন বাংলাদেশে ছিল এক মহোৎসবের আমেজ। গোটা জাতি রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল কখন তাদের প্রিয় নেতা, স্বাধীনবাংলার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীন দেশের মাটিতে পা রাখবেন। পুরো দেশের মানুষই যেন জড়ো হয়েছিল ঢাকা বিমানবন্দরে। বিমানবন্দর থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পর্যন্ত রাস্তা ছিল লোকেলোকারণ্য। অবশেষে বন্দীর নাগপাশ ছিন্ন করে জাতির জনক বিজয়ের বেশে নামলেন বিমান থেকে। পা রাখলেন লাখো শহীদের রক্তস্নাত স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে। গোটা জাতি হর্ষধ্বনি দিয়ে তেজোদীপ্ত ‘জয় বাংলা’ ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ সেøাগানে তাদের অবিসংবাদিত প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাল।


বিকেল পাঁচটায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে ভাষণ দেন জাতির জনক। পরের দিন বিভিন্ন পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে এভাবেই লেখা হয়- ‘স্বদেশের মাটি ছুঁয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা শিশুর মতো আবেগে আকুল হলেন। আনন্দ-বেদনার অশ্রুধারা নামলো তার দু’চোখ বেয়ে। প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে সেদিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালী আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলে বাংলার আকাশ-বাতাস।


জনগণমননন্দিত শেখ মুজিব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ধ্রুপদী বক্তৃতায় বলেন, ‘যে মাটিকে আমি এত ভালবাসি, যে মানুষকে আমি এত ভালবাসি, আমি জানতাম না সে বাংলায় আমি যেতে পারব কিনা। আজ আমি বাংলায় ফিরে এসেছি বাংলার ভাইয়েদের কাছে, মায়েদের কাছে, বোনদের কাছে। আমার বাংলা আজ স্বাধীন, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।’ সশ্রদ্ধচিত্তে তিনি সবার ত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং সবাইকে দেশ গড়ার কাজে উদ্বুদ্ধ হতে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেন, ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালী জাতির এই ভালবাসার ঋণ শোধ করে যাব’।


কথা রেখেছেন জাতির পিতা। হিংস্র পাকহানাদাররাও যার গায়ে আঁচড় দেয়ারও সাহস দেখাতে পারেনি, স্বাধীন দেশে বাঙালী নামক একশ্রেণীর কুলাঙ্গার-বিশ্বাসঘাতকদের হাতেই তাঁকে জীবন দিতে হয়েছে। ’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে বঙ্গবন্ধু তাঁর কথা রেখে গেছেন।


বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালনে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন নিয়েছে বিস্তারিত কর্মসূচী। আওয়ামী লীগের কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ভোরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারাদেশে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল সাতটায় বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি আর বিকেল তিনটায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচী যথাযথভাবে পালনের জন্য সারাদেশের দল ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। জনকণ্ঠ।

User Comments

  • জাতীয়