৮ এপ্রিল ২০২০ ১৮:৪১:২৫
logo
logo banner
HeadLine
বেনজীর আহমেদ আইজিপি এবং আল-মামুন র্যা ব ডিজির দায়িত্বে * দেশে নতুন আক্রান্ত ৫৪, মৃত ৩ * বিশ্বনবীর মিম্বর থেকে করোনা বিষয়ে শাইখ সুদাইসের উপদেশ * করোনা সেবাদানকারীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যবীমার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর * বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ মিরপুর থেকে গ্রেফতার * দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত ৪১, মৃত ৫ * ওয়াক্তিয়া নামাজে ৫ জন, জুমায় ১০ জন শরিক হওয়া যাবে * দেশে করোনায় আরও শনাক্ত ৩৫, মৃত ৩ * ছুটি বাড়লো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত, ঢাকায় প্রবেশ-ত্যাগে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা * দেশে করোনায় শনাক্ত আরও ১৮, মৃত ১ * সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ত্রাণকার্য পরিচালনা করলেন সন্দ্বীপ মেয়র * ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষনা প্রধানমন্ত্রীর * দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্তান্ত আরও ৯, মৃত্যু ২ * কোভিড-১৯ ও তার নির্ণয় পদ্ধতি * চট্টগ্রামে করোনা রোগী সনাক্ত * করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ১০ লাখ * করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা নির্দেশনা * দেশে নতুন আক্রান্ত ২, প্রতি উপজেলা হতে নমুনা সংগ্রহে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা * সামাজিক দূরত্ব এবং হোম কোয়ারেন্টিন না মানলে ব্যবস্থা, কঠোর হচ্ছে সেনাবাহিনী * সুস্থ হয়ে উঠুক আমার দেশ * করোনারোধে ছুটি বাড়ল ১১ এপ্রিল পর্যন্ত * দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩, মৃত ১ * করোনাভাইরাস: আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের জন্য 'ক্রুসিয়াল টাইম' * বাংলাদেশের করোনা যুদ্ধে শেখ হাসিনা কী এভাবে সাফল্য পাবেন? * 'সচেনতনতা তৈরি করতে পেরেছি বলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে' - প্রধানমন্ত্রী * করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর চার পরামর্শ * দেশে আক্রান্ত আরও ১ জন, ৮০ বছরের বৃদ্ধসহ সুস্থ ৪ * করোনা নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারী আইজিপি'র * দেশে আজ কোনও করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি * ''আমার ঘরে আমার স্কুল'' : সংসদ টেলিভিশনে বিষয়ভিত্তিক ক্লাস *
     01,2019 Friday at 21:16:54 Share

নামাযে মনে মনে কেরাত পড়াসহ কয়েকটি ভুল

নামাযে মনে মনে কেরাত পড়াসহ কয়েকটি ভুল

মনে মনে কেরাত নয়, পড়তে হবে নিচুস্বরে


যে সমস্ত নামাযে আস্তে কেরাত পড়া হয়, সে সকল নামাযে অনেককে দেখা যায়, মুখ-ঠোঁট না নেড়ে মনে মনে সূরা কেরাত পড়েন। হয়তো তারা এই ভুল ধারণা করে আছেন যে, আস্তে আস্তে কেরাত পড়া মানে মনে মনে পড়া।


এটি ঠিক নয়। কারণ যে সকল নামাযে কেরাত আস্তে পড়তে বলা হয়েছে, তার অর্থ হল, নিচু স্বরে তিলাওয়াত করা। আর এতো খুবই সহজ কথা যে, মনে মনে পড়া কোনোক্রমেই নিচু স্বরে পড়া নয়।


ফিকহ-ফাতাওয়ার কিতাবাদি থেকেও বোঝা যায় যে, আস্তে কেরাত পড়ার সর্বোত্তম পদ্ধতি হল এমনভাবে পড়া, যেন সে নিজে শুনতে পায়। আর সর্বনিম্ন এতটুকু তো অবশ্যই জরুরি যে, সহীহ-শুদ্ধভাবে হরফ উচ্চারণ করা হবে এবং ঠোঁট-জিহবার নড়াচড়া  দেখা যাবে। একটি হাদীসে আছে যে, যোহর ও আসর নামাযে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কুরআন পড়তেন, তখন কোনো কোনো আয়াত সাহাবায়ে কেরামও কখনো কখনো শুনতে পেতেন। হযরত আবু মামার বলেন, আমরা হযরত খাববাব রা.কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি যোহর ও আসর নামাযে কুরআন পড়তেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমরা প্রশ্ন করলাম, আপনারা কীভাবে বুঝতেন? তিনি বললেন, ‘বিজতিরাবি লিহয়াতিহী’-তাঁর দাঁড়ি মোবারক নড়াচড়া দ্বারা। (সহীহ বুখারী-ফাতহুল বারী ২/২৮৪-২৮৭)


অতএব কেরাত পড়ার সময় জিহবা ও ঠোঁট ব্যবহার করে মাখরাজ থেকে সহীহ-শুদ্ধভাবে হরফ উচ্চারণ করতে হবে। অন্যথায় শুধু মনে মনে পড়ার দ্বারা কেরাত আদায় হবে না।


তাকবীরে তাহরীমা মনে মনে বলা


এটি আরেকটি ভুল। ইমামের পিছনে নামায পড়ার সময় এই ভুলটি ব্যাপকভাবে দেখা যায়। কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে বাঁধাকেই অনেকে যথেষ্ট মনে করে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, নামাযের শুরুতে তিনটি কাজ করতে হয়। প্রথমে মনে মনে কোন নামায পড়ছি-এর সংকল্প করতে হবে। এর নাম নিয়ত, যা নামায সহীহ হওয়ার জন্য জরুরি। উল্লেখ্য, মনে মনে সংকল্প করে নিলেই নিয়ত হয়ে যাবে, মুখে উচ্চারণ করতে হবে না।


দ্বিতীয় কাজটি হল, তাকবীরে তাহরীমা। অর্থাৎ স্পষ্ট উচ্চারণে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা। যেহেতু এই তাকবীরের মাধ্যমে নামায বহির্ভূত সকল কাজ হারাম হয়ে যায় তাই একে ‘তাকবীরে তাহরীমা’ বলে। এই তাকবীর বলা ফরয। যা স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করতে হবে।


তৃতীয় কাজ হল, কান পর্যন্ত দুই হাত উঠিয়ে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরে নাভির নিচে বাঁধা। এই কাজটি সুন্নত।


প্রচলিত পরিভাষায় ‘নামাযের নিয়ত বাঁধা’ এই তিন আমলের সমষ্টিকেই বোঝায়।


এখন কেউ যদি শুধু হাত উঠিয়ে তা বেঁধে নিল কিন্তু আল্লাহু আকবার বলল না বা মনে মনে বলল তাহলে নামাযের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিবটিই আদায় হয়নি। ফলে তার নামায আদায় হবে না।


অতএব এখানেও তাকবীর স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করা অপরিহার্য। শুধু মনে মনে বলা যথেষ্ট নয়।


 


আমীন মনে মনে বলা


এটিও আরেকটি ভুল। নিয়ম হল, জামাতে নামায পড়ার সময় ইমাম সূরা ফাতিহা সমাপ্ত করার পর মুকতাদী ‘আমীন’ বলবে। আমীন আস্তে বলা ও জোরে বলা দুটোই শরীয়তের দলীল দ্বারা প্রমাণিত। যদিও অধিকাংশ সাহাবী ও তাবেয়ীর আমল আস্তে বলাই ছিল, তাই অনেক ফকীহ আস্তে বলাকেই উত্তম বলেছেন। কিন্তু এর অর্থ কোনোভাবেই মনে মনে বলা নয়। ‘আস্তে বলা’ কিংবা ‘অনুচ্চস্বরে’ বলা আর মনে মনে বলা এক কথা নয়।


আমীন বলার ফযীলতপূর্ণ সুন্নতটি আদায় করার সময়ও তা স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করা উচিত।


উদাহরণস্বরূপ এই তিনটি আমলের কথা বলা হল, অন্যথায় তাকবীর, তাসবীহ, তাশাহহুদ ও দুআর ক্ষেত্রেও একই ধরনের ভুল পরিলক্ষিত হয়। অথচ এই আমলগুলিও মুখে উচ্চারণের মাধ্যমে আদায় করতে হয়। 


অতএব উদাসীনতা বা অবহেলার কারণে হোক কিংবা না-জানার কারণে, সর্বাবস্থায় উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে মনে মনে বলার ভুল পদ্ধতি সংশোধনযোগ্য।


 

User Comments

  • আরো