২১ আগস্ট ২০১৯ ১৩:৩০:২০
logo
logo banner
HeadLine
নারকীয় গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষিকী আজ, আওয়ামীলীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই এ হামলা * ২২ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু * ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১,৬১৫ জন, কমছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা * জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রথমবারের মতো পালিত হলো জাতীয় শোক দিবস * ডেঙ্গু দমন নিয়ে অসন্তোষ হাইকোর্ট * সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু * ডেঙ্গুর কার্যকর ওষুধ ছিটাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও দুই মেয়রকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ , নাগরিকদেরকে তাদের বাড়িঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি * সরকারী হাসপাতেলে বিনামূল্যে, বেসরকারীতে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি বেঁধে দিয়েছে সরকার * ডেঙ্গু জ্বর: প্রতিরোধের উপায় * ডেঙ্গু : প্রকার, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা * ডেঙ্গু সম্পর্কে ১০ তথ্য * টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা, সমুদ্রবন্দরসমূহে ৩ নং সতর্ক সংকেত * মশা নিধনে দুই সিটি করপোরেশনকে চারদিন সময় দিলেন হাইকোর্ট * আমরা বিশুদ্ধ পানি চাই: হাইকোর্ট * প্রধানমন্ত্রীর চোখে অস্ত্রোপচার * ছেলেধরা সন্দেহে ১৮ জনকে গণপিটুনি, সারাদেশে আতঙ্ক * গুজব-গণপিটুনি বন্ধে পুলিশ সদর দপ্তরের বার্তা * দূত সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী * রাজধানীতে ছেলেধরা সন্দেহে গনপিটুনিতে নিহতের ঘটনায় ৫০০ জনের বিরুদ্ধ্বে হত্যা মামলা * লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী * ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি উল্লেখযোগ্য নাম, সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে প্রিয়া সাহার অভিযোগ সঠিক নয়, : মার্কিন রাষ্ট্রদূত * রিফাত হত্যায় আদালতে মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি * রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান * জিএম কাদের জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান * এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৩.৯৩ * অরক্ষিত রেলক্রসিং, মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ নিহত ৯ * উন্নয়নের গতি বাড়াতে ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ * রোমাঞ্চকর ফাইনাল জিতে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড * হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর জীবনাবসান * দুর্নীতির কারণে আমাদের অর্জনগুলো যেন নষ্ট হয়ে না যায় - প্রধানমন্ত্রী *
     01,2019 Friday at 21:16:54 Share

নামাযে মনে মনে কেরাত পড়াসহ কয়েকটি ভুল

নামাযে মনে মনে কেরাত পড়াসহ কয়েকটি ভুল

মনে মনে কেরাত নয়, পড়তে হবে নিচুস্বরে


যে সমস্ত নামাযে আস্তে কেরাত পড়া হয়, সে সকল নামাযে অনেককে দেখা যায়, মুখ-ঠোঁট না নেড়ে মনে মনে সূরা কেরাত পড়েন। হয়তো তারা এই ভুল ধারণা করে আছেন যে, আস্তে আস্তে কেরাত পড়া মানে মনে মনে পড়া।


এটি ঠিক নয়। কারণ যে সকল নামাযে কেরাত আস্তে পড়তে বলা হয়েছে, তার অর্থ হল, নিচু স্বরে তিলাওয়াত করা। আর এতো খুবই সহজ কথা যে, মনে মনে পড়া কোনোক্রমেই নিচু স্বরে পড়া নয়।


ফিকহ-ফাতাওয়ার কিতাবাদি থেকেও বোঝা যায় যে, আস্তে কেরাত পড়ার সর্বোত্তম পদ্ধতি হল এমনভাবে পড়া, যেন সে নিজে শুনতে পায়। আর সর্বনিম্ন এতটুকু তো অবশ্যই জরুরি যে, সহীহ-শুদ্ধভাবে হরফ উচ্চারণ করা হবে এবং ঠোঁট-জিহবার নড়াচড়া  দেখা যাবে। একটি হাদীসে আছে যে, যোহর ও আসর নামাযে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কুরআন পড়তেন, তখন কোনো কোনো আয়াত সাহাবায়ে কেরামও কখনো কখনো শুনতে পেতেন। হযরত আবু মামার বলেন, আমরা হযরত খাববাব রা.কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি যোহর ও আসর নামাযে কুরআন পড়তেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমরা প্রশ্ন করলাম, আপনারা কীভাবে বুঝতেন? তিনি বললেন, ‘বিজতিরাবি লিহয়াতিহী’-তাঁর দাঁড়ি মোবারক নড়াচড়া দ্বারা। (সহীহ বুখারী-ফাতহুল বারী ২/২৮৪-২৮৭)


অতএব কেরাত পড়ার সময় জিহবা ও ঠোঁট ব্যবহার করে মাখরাজ থেকে সহীহ-শুদ্ধভাবে হরফ উচ্চারণ করতে হবে। অন্যথায় শুধু মনে মনে পড়ার দ্বারা কেরাত আদায় হবে না।


তাকবীরে তাহরীমা মনে মনে বলা


এটি আরেকটি ভুল। ইমামের পিছনে নামায পড়ার সময় এই ভুলটি ব্যাপকভাবে দেখা যায়। কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে বাঁধাকেই অনেকে যথেষ্ট মনে করে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, নামাযের শুরুতে তিনটি কাজ করতে হয়। প্রথমে মনে মনে কোন নামায পড়ছি-এর সংকল্প করতে হবে। এর নাম নিয়ত, যা নামায সহীহ হওয়ার জন্য জরুরি। উল্লেখ্য, মনে মনে সংকল্প করে নিলেই নিয়ত হয়ে যাবে, মুখে উচ্চারণ করতে হবে না।


দ্বিতীয় কাজটি হল, তাকবীরে তাহরীমা। অর্থাৎ স্পষ্ট উচ্চারণে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা। যেহেতু এই তাকবীরের মাধ্যমে নামায বহির্ভূত সকল কাজ হারাম হয়ে যায় তাই একে ‘তাকবীরে তাহরীমা’ বলে। এই তাকবীর বলা ফরয। যা স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করতে হবে।


তৃতীয় কাজ হল, কান পর্যন্ত দুই হাত উঠিয়ে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরে নাভির নিচে বাঁধা। এই কাজটি সুন্নত।


প্রচলিত পরিভাষায় ‘নামাযের নিয়ত বাঁধা’ এই তিন আমলের সমষ্টিকেই বোঝায়।


এখন কেউ যদি শুধু হাত উঠিয়ে তা বেঁধে নিল কিন্তু আল্লাহু আকবার বলল না বা মনে মনে বলল তাহলে নামাযের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিবটিই আদায় হয়নি। ফলে তার নামায আদায় হবে না।


অতএব এখানেও তাকবীর স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করা অপরিহার্য। শুধু মনে মনে বলা যথেষ্ট নয়।


 


আমীন মনে মনে বলা


এটিও আরেকটি ভুল। নিয়ম হল, জামাতে নামায পড়ার সময় ইমাম সূরা ফাতিহা সমাপ্ত করার পর মুকতাদী ‘আমীন’ বলবে। আমীন আস্তে বলা ও জোরে বলা দুটোই শরীয়তের দলীল দ্বারা প্রমাণিত। যদিও অধিকাংশ সাহাবী ও তাবেয়ীর আমল আস্তে বলাই ছিল, তাই অনেক ফকীহ আস্তে বলাকেই উত্তম বলেছেন। কিন্তু এর অর্থ কোনোভাবেই মনে মনে বলা নয়। ‘আস্তে বলা’ কিংবা ‘অনুচ্চস্বরে’ বলা আর মনে মনে বলা এক কথা নয়।


আমীন বলার ফযীলতপূর্ণ সুন্নতটি আদায় করার সময়ও তা স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করা উচিত।


উদাহরণস্বরূপ এই তিনটি আমলের কথা বলা হল, অন্যথায় তাকবীর, তাসবীহ, তাশাহহুদ ও দুআর ক্ষেত্রেও একই ধরনের ভুল পরিলক্ষিত হয়। অথচ এই আমলগুলিও মুখে উচ্চারণের মাধ্যমে আদায় করতে হয়। 


অতএব উদাসীনতা বা অবহেলার কারণে হোক কিংবা না-জানার কারণে, সর্বাবস্থায় উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে মনে মনে বলার ভুল পদ্ধতি সংশোধনযোগ্য।


 

User Comments

  • ধর্ম ও নৈতিকতা