১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৫১:১৬
logo
logo banner
HeadLine
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা -ঊদয়ন সংঘর্ষ, নিহত ১৫ আহত শতাধিক * রোহিঙ্গা গণহত্যায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মামলা * দূর্বল হয়ে পড়ছে 'বুলবুল', বন্দরসমূহে ৩ নং সতর্ক সংকেত * খুনীদের জন্য এত মায়া কান্না কেন * ভারতের মাঠে বাংলাদেশের প্রথম জয় * জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু * ২ থেকে ৭ নবেম্বর বিপ্লব নয়, ষড়যন্ত্র হয়েছিল * জুয়াড়ীদের সাথে কথোপকথনের জেরে দুই বছর নিষিদ্ধ সাকিব, অভিযোগ স্বীকার করায় এক বছরের নিষেধাজ্ঞা মওকুফ * অপরাধ করে কেউ পার পাবে না, ধরা হবে সবাইকে - প্রধানমন্ত্রী * ন্যাম সম্মেলনে যোগদান শেষে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী * ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী * নুসরাত হত্যায় সিরাজসহ অভিযুক্ত ১৬ জনেরই ফাঁসি * আলোচনা ফলপ্রসূ, আমরা খুশি, খেলায় ফিরছি: সাকিব * সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটাররা, দাবি বেড়ে এখন ১৩টি * ক্রিকেটারদের দাবি মেনে নিতে আমরা প্রস্তুত বিসিবি * ১১ দফা দাবিতে ক্রিকেটারদের খেলা বর্জন * আরও ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১টি পৌরসভা ও ৭টি থানার অনুমোদন * সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের শুদ্ধি অভিযান * ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথে - অভিজিৎ ব্যানার্জি * হৃদরোগ ও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের মূল কারণ চিনি * সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় বাংলাদেশের অর্থনীতি * যুবলীগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রবিবার, বৈঠকে থাকছেন না ওমর ফারুক চৌধুরী * পাপ পুণ্যের দানবে অসহায় মানুষ * র্যা গিংয়ের শিকার হলে নালিশ করুন, বিচার হবে : আইনমন্ত্রী * চট্টগ্রামে তিন মেট্রোরেল নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ * আরও দু'টি মেট্রোরেল রাজধানীতে * এক বাঙালিসহ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন ৩ জন * বাংলাদেশ এখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনারও রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী * ছাত্র রাজনীতি কিংবা ছাত্রলীগ নয়, টার্গেট সরকার * হঠাৎ চারদিকে কেমন যেন অস্বস্তি *
     10,2019 Wednesday at 16:55:32 Share

সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ গবেষণা - প্রধানমন্ত্রী

সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ গবেষণা - প্রধানমন্ত্রী

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই গবেষণার ওপর। গবেষণার জন্য আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা লাভ করতে পেরেছি। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতিকে টেকসই করতে হবে। আর একমাত্র গবেষণাই পারে তা করতে।’


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রথমবার সরকারে এসে লক্ষ করলাম, গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না, এতে কোনও বরাদ্দ দেওয়া হতো না। গবেষণার জন্য বিশেষভাবে প্রণোদনা দেওয়া দরকার, এটা তাদের মাথায় ঢোকেনি। আমি সরকারে এসেই তা করলাম। সে সময় আমাদের রিজার্ভ মানি ও সম্পদ কম থাকার পরও ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখলাম গবেষণা খাতে। পরে এটি আরও বাড়ানো হয়েছে।’


শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গবেষণা ও বিজ্ঞানের প্রতি আকর্ষণ ছিল। এ ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিতে তিনি কাজ করেছেন। আমরাও বিজ্ঞান ও গবেষণার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমরা প্রযুক্তির উন্নয়নে ইতোমধ্যে জাতীয় আইসটি নীতিমালা করতে যাচ্ছি। স্যাটেলাট উৎক্ষেপণ, ইন্টারনেট সংযোগ আমরা দিয়েছি। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে গবেষণার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।’


সরকার প্রধান বলেন, ‘আমদের বিশাল সমুদ্রসীমা রয়েছে। সমুদ্র বিষয়ে গবেষণা দরকার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে সমুদ্র গবেষণা বিষয়ে সাবজেক্ট খোলা হয়েছে। মহাকাশ বিষয়ে গবেষণা দরকার। আমরা ভবিষ্যতে যাতে এ ক্ষেত্রকে আরও এগিয়ে নিতে পারি। কোনও ক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে থাকবো না।’


তিনি বলেন, ‘সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ গবেষণা। গবেষণার মাধ্যমে সমাজ এগিয়ে যাবে।’


শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় আসার পর স্কলারশিপে অনেক শিক্ষার্থীকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। ২০০১ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর, এই স্কলারশিপ বন্ধ করে দেওয়া হলো। অনেক ছাত্রকে বিদেশ থেকে ফিরে আসতে হলো।’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশ। আমরা কোথায় কোথায় আরও উৎকর্ষ অর্জন করতে পারবো এবং কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করতে পারি, তা গবেষণা করে বের করতে হবে।’


প্রধামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে দরিদ্র বলে কিছু থাকবে না। ২০৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। আমরা সব ক্ষেত্রে পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। শুধু পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্যে আমরা আটকে থাকিনি। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনাও করছি। ডেলটা প্লান-২১০০ প্রণয় করেছি। প্রাকৃতিক পরিবেশের যাদে ক্ষতি না হয়, সে জন্য এই পরিকল্পনা দিয়ে যাচ্ছি। শত বছর পরও মানুষের জীবন মান কেমন হবে তা মাথায় রেখেই এই পরিকল্পনা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাতে এটাকে এগিয়ে নিতে পারে। কোনও অশুভ শক্তিই যেন বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে না পারে।’


তিনি বলেন, ‘বিশ্ব এগিয়ে যচ্ছে। এখন তথ্য প্রযুক্তির যুগ। এর সঙ্গে তাল মিলিয়েই আমাদের চলতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত মেধাবি, আমি বিশ্বস করি, তারা পিছিয়ে থাকবে না। তাদের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে।’


শেখ হাসিনা বলেন, ‘ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বিচার শুরু করেছিলেন। সংবিধানের ১২ ও ৩৮ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সংবিধানের এ দুটি ধারা সংশোধন করে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে দুঃজনক। সারা পৃথিবীতে এ ঘটনা নজিরবিহীন। যারা স্বাধীনতা বিরোধী তারা জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের লালন করে। তারা কখনও দেশের উন্নতি চায় না।’

User Comments

  • আরো