২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:৩৩:১৭
logo
logo banner
HeadLine
দেশের মানুষের জন্য ভাল কিছু করার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর * শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন আজ * ২৫ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে নতুন শনাক্ত আরও ৪৩ * দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছি বলেই সুফল পাচ্ছে জনগণ -প্রধানমন্ত্রী * এখন রাজনৈতিক কূটনীতি নয়, অর্থনৈতিক কূটনীতি চলছে -প্রধানমন্ত্রী * ২৫ সেপ্টেম্বার : আজ শনাক্ত ১৩৮৩, মৃত্যু ২১, সুস্থ ১৯৩২ * সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত * ২৪ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৫৩ * ২৪ সেপ্টেম্বার : দেশে আজ শনাক্ত ১৬৬৬, মৃত্যু ২৮ জন, সুস্থ ২,১৩৯ * ২৩ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৬৩ * জলবায়ু পরিবর্তন ও কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ২৩ সেপ্টেম্বার : দেশে আজ শনাক্ত ১৬৬৬, মৃত্যু ৩৭ জন, সুস্থ ২১৬৩ * ২২ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত আরও ৭৭ জন * ২২ সেপ্টেম্বার : দেশে আজ শনাক্ত ১৫৫৭, মৃত ২৮, সুস্থ ২০৭৩ * 'বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ' তৈরি করতে জাতিসংঘের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান * ২১ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৫৬ * জাতিসংঘে এবারের ভার্চুয়াল অধিবেশনেও বাংলায় বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী * ২১ সেপ্টেম্বার : আজ শনাক্ত আরও ১৭০৫, মৃত ৪০, সুস্থ ২১৫২ * সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত * ২০ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৪৬ * ২০ সেপ্টেম্বার : দেশে আজ শনাক্ত ১৫৪৪ , সুস্থ ২১৭৯, মৃত ২৬ * শীতে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, তাই প্রস্তুতি নিন : প্রধানমন্ত্রী * ১৯ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২৫ * ১৯ সেপ্টেম্বার : আজ শনাক্ত ১৫৬৭, মৃত ৩২, সুস্থ * লাখো মানুষের অংশগ্রহণে আল্লামা শফীর জানাজা সম্পন্ন, চিরশায়িত হলেন প্রিয় মসজিদ প্রাঙ্গণে * আল্লামা শফীকে শেষ বিদায় জানাতে হাটহাজারী আভিমুখে লাখো মানুষের ঢল * ১৮ সেপ্টেম্বার : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৬০ * শাহ আহমদ শফীর জানাজা বাদ জোহর, ৪ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন * হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী আর নেই, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক * ১৮ সেপ্টেম্বার : আজ শনাক্ত ১৫৪১, মৃত ২২ জন, সুস্থ ১,৯২৩ *
     11,2019 Thursday at 11:03:09 Share

প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি দেখলো মানব জাতি

প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি দেখলো মানব জাতি

সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মহাশূন্যের কৃষ্ণ গহ্বরের (ব্ল্যাক হোল) প্রথম ছবি প্রকাশ করলো ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশনের (এনএসএফ) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপের (ইএইচটি) গবেষণার প্রথম দফার ফলাফল হিসেবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম চিত্রটি ধারণ করেছেন, যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুর বিশ্লেষণে একটি বিপ্লবের সূচনা করেছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশ করা হয়।



জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তোলা ছবিটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের মেসিয়ার ৮৭ ছায়াপথের অবস্থানরত একটি বিশাল কৃষ্ণ গহ্বরের বাইরের আকৃতি, যা প্রধানত ধুলো ও গ্যাসের একটি স্তর। এতদিন ধরে ধারণা করা হতো, মহাশূন্যের কৃষ্ণ গহ্বরগুলো এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকালীন সময়ে তৈরি হওয়া একেকটি কালো ফাঁদের মতো, যা আলো কিংবা অন্য সবকিছুকেই গ্রাস করতে সক্ষম। তবে দীর্ঘ গবেষণার পর জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পাওয়া ফলাফল বলছে কৃষ্ণ গহ্বরের ক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞানের জাগতিক কোনও সূত্রই এর বেলায় কাজ করে না।


জানা যায়, ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপের (ইএইচটি) প্রায় দুইশ'র বেশি বিজ্ঞানীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় অ্যান্টার্কটিকা থেকে স্পেন এবং চিলিতে অবস্থানরত আটটি রেডিও টেলিস্কোপের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছবিটি ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মাইকেল ব্রেমার নামে আরেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী জানিয়েছিলেন, 'ছোট ছোট দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এত বছর ধরে তারা পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন। কারণ একটি বিশাল দূরবীক্ষণ ব্যবহার করলে সেটা তার নিজের ওজনেই ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা ছিল'।


এ বিষয়ে ইভেন্ট হরাইজনের পরিচালক এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ গবেষক সেফার্ড ডোয়েলমেন জানান, 'নিশ্চিতভাবে কৃষ্ণ গহ্বর মহাবিশ্বের সবথেকে রহস্যজনক বস্তু। আমরা তাই দেখেছি যা আমরা কখনো দেখতে পারবো না বলে ভেবেছিলাম। অবশেষে আমরা একটি কৃষ্ণ গহ্বরের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছি'।


কৃষ্ণ গহ্বর বিশেষজ্ঞ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির জ্যোতির্বিজ্ঞানী পল ম্যাকনামারা বলেছেন, '৫০ বছরের আগে কয়েকজন বিজ্ঞানী আমাদের ছায়াপথের মধ্যে দেখেছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল কোনো বিন্দু। সেটার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই বেশি ছিল যে নক্ষত্রগুলি তাকে প্রদক্ষিণ করত অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ২০ বছরের মধ্যে সব কয়টি নক্ষত্র প্রদক্ষিণ করে ফেলছে সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র। অথচ তুলনামূলক ভাবে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছায়াপথকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ২ কোটি ৩০ লক্ষ বছর। এরপর বিজ্ঞানীরা আন্দাজ করেন যে ওই উজ্জ্বল বিন্দু আসলে কৃষ্ণ গহ্বর। যাকে ঘিরে রয়েছে সাদা গরম গ্যাস এবং প্লাজমার ঘূর্ণি। ওই বিন্দুর মধ্যবর্তী স্থানে সব কিছুই অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। আপনি এর ভিতরে ঢুকে গেলে পালাতে পারবেন না কারণ আপনার অসংখ্য শক্তির প্রয়োজন হবে। আপনি এর উল্টো দিকে থাকলেই নীতিগতভাবে তা পারবেন। কারণ আমরা আমাদের ছায়াপথের সমতল জায়গায় রয়েছি'।


প্রয়াত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার জীবনের অধিকাংশ সময় কৃষ্ণ গহ্বরের গবেষণাতেই কাটিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কৃষ্ণ গহ্বরের মধ্যবর্তী স্থানে সেটির ভর একটিই জিরো ডাইমেনশনাল পয়েন্টে আটকানো থাকে। এ পর্যন্ত মহাকাশের কৃষ্ণ গহ্বরের রহস্য কেউ ভেদ করতে না পারলেও এই প্রথম এর ছবি ধারণ করতে সক্ষম হয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইত্তেফাক।

User Comments

  • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি