১৮ জুলাই ২০১৯ ১০:৫২:৪৮
logo
logo banner
HeadLine
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৩.৯৩ * অরক্ষিত রেলক্রসিং, মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ নিহত ৯ * উন্নয়নের গতি বাড়াতে ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ * রোমাঞ্চকর ফাইনাল জিতে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড * হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর জীবনাবসান * দুর্নীতির কারণে আমাদের অর্জনগুলো যেন নষ্ট হয়ে না যায় - প্রধানমন্ত্রী * কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে নিহত ২, আরো ভারী বর্ষণ-ভূমিধসের সম্ভাবনা * বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান * ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা, সতর্ক অবস্থানে সরকার * আরও বৃষ্টির আশংকা, বিপদসীমার উপরে প্রধান নদ-নদীর পানি * জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় সচেতন হতে বিশ্বনেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী * গুজব ছড়ানো ইসলামে এক ভয়াবহ অপরাধ * কিছু কিছু ওসি-ডিসি নিজেদের জমিদার মনে করে: হাইকোর্ট * আরও ভারী বর্ষণের আশঙ্কা * প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, অর্জন অনেক বেশি * ৫ দিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী, সোমবার সংবাদ সম্মেলন * ঝড়ো বাতাসের শঙ্কা, সাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা * দ্রুত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ঢাকা-বেইজিং একমত * শেখ হাসিনা - লি কেকিয়াংয়ের বৈঠক , রোহিঙ্গা ফেরাতে মিয়ানমারকে রাজি করতে চেষ্টা চালানোর আশ্বাস চীনের * চীনের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে : বেজিংয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী * ২৫ বছর পর ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা মামলার রায় : ৯ জনের ফাঁসি, ২৫ জনের যাবজ্জীবন ও ১৩ জনের ১০ বছর * টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব * বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত * এরশাদের অবস্থা অপরিবর্তিত: প্রেস সেক্রেটারি * ৫ দিনের সফরে কাল চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী * সন্দ্বীপ পৌরসভার ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষনা * কোপা আমেরিকার সেমিতে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ব্রাজিল * রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ ব্যর্থ - মাসুদ বিন মোমেন * সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটে ৪ যাত্রীকে পিটিয়ে নদীতে ফেল দেয়ার অভিযোগ * একটি স্বপ্ন *
     11,2019 Thursday at 11:03:09 Share

প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি দেখলো মানব জাতি

প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি দেখলো মানব জাতি

সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মহাশূন্যের কৃষ্ণ গহ্বরের (ব্ল্যাক হোল) প্রথম ছবি প্রকাশ করলো ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশনের (এনএসএফ) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপের (ইএইচটি) গবেষণার প্রথম দফার ফলাফল হিসেবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম চিত্রটি ধারণ করেছেন, যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুর বিশ্লেষণে একটি বিপ্লবের সূচনা করেছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশ করা হয়।



জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তোলা ছবিটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের মেসিয়ার ৮৭ ছায়াপথের অবস্থানরত একটি বিশাল কৃষ্ণ গহ্বরের বাইরের আকৃতি, যা প্রধানত ধুলো ও গ্যাসের একটি স্তর। এতদিন ধরে ধারণা করা হতো, মহাশূন্যের কৃষ্ণ গহ্বরগুলো এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকালীন সময়ে তৈরি হওয়া একেকটি কালো ফাঁদের মতো, যা আলো কিংবা অন্য সবকিছুকেই গ্রাস করতে সক্ষম। তবে দীর্ঘ গবেষণার পর জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পাওয়া ফলাফল বলছে কৃষ্ণ গহ্বরের ক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞানের জাগতিক কোনও সূত্রই এর বেলায় কাজ করে না।


জানা যায়, ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপের (ইএইচটি) প্রায় দুইশ'র বেশি বিজ্ঞানীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় অ্যান্টার্কটিকা থেকে স্পেন এবং চিলিতে অবস্থানরত আটটি রেডিও টেলিস্কোপের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছবিটি ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মাইকেল ব্রেমার নামে আরেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী জানিয়েছিলেন, 'ছোট ছোট দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এত বছর ধরে তারা পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন। কারণ একটি বিশাল দূরবীক্ষণ ব্যবহার করলে সেটা তার নিজের ওজনেই ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা ছিল'।


এ বিষয়ে ইভেন্ট হরাইজনের পরিচালক এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ গবেষক সেফার্ড ডোয়েলমেন জানান, 'নিশ্চিতভাবে কৃষ্ণ গহ্বর মহাবিশ্বের সবথেকে রহস্যজনক বস্তু। আমরা তাই দেখেছি যা আমরা কখনো দেখতে পারবো না বলে ভেবেছিলাম। অবশেষে আমরা একটি কৃষ্ণ গহ্বরের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছি'।


কৃষ্ণ গহ্বর বিশেষজ্ঞ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির জ্যোতির্বিজ্ঞানী পল ম্যাকনামারা বলেছেন, '৫০ বছরের আগে কয়েকজন বিজ্ঞানী আমাদের ছায়াপথের মধ্যে দেখেছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল কোনো বিন্দু। সেটার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই বেশি ছিল যে নক্ষত্রগুলি তাকে প্রদক্ষিণ করত অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ২০ বছরের মধ্যে সব কয়টি নক্ষত্র প্রদক্ষিণ করে ফেলছে সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র। অথচ তুলনামূলক ভাবে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছায়াপথকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ২ কোটি ৩০ লক্ষ বছর। এরপর বিজ্ঞানীরা আন্দাজ করেন যে ওই উজ্জ্বল বিন্দু আসলে কৃষ্ণ গহ্বর। যাকে ঘিরে রয়েছে সাদা গরম গ্যাস এবং প্লাজমার ঘূর্ণি। ওই বিন্দুর মধ্যবর্তী স্থানে সব কিছুই অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। আপনি এর ভিতরে ঢুকে গেলে পালাতে পারবেন না কারণ আপনার অসংখ্য শক্তির প্রয়োজন হবে। আপনি এর উল্টো দিকে থাকলেই নীতিগতভাবে তা পারবেন। কারণ আমরা আমাদের ছায়াপথের সমতল জায়গায় রয়েছি'।


প্রয়াত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার জীবনের অধিকাংশ সময় কৃষ্ণ গহ্বরের গবেষণাতেই কাটিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কৃষ্ণ গহ্বরের মধ্যবর্তী স্থানে সেটির ভর একটিই জিরো ডাইমেনশনাল পয়েন্টে আটকানো থাকে। এ পর্যন্ত মহাকাশের কৃষ্ণ গহ্বরের রহস্য কেউ ভেদ করতে না পারলেও এই প্রথম এর ছবি ধারণ করতে সক্ষম হয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইত্তেফাক।

User Comments

  • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি