২৪ মে ২০১৯ ২৩:৪৩:৫৬
logo
logo banner
HeadLine
থেরেসা মে'র পদত্যাগের ঘোষণা * দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদী, শেখ হাসিনার অভিনন্দন * আগামী অর্থবছরের জন্য রেকর্ড এডিপি অনুমোদন * স্বাধীনভাবে সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন: প্রধানমন্ত্রী * ফলের বাজার নজরদারিতে টিম গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ * পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ: শফিউল আলম * কাল থেকে অফিস করবেন ওবায়দুল কাদের * জঙ্গি সনাক্তকরণের বিজ্ঞাপন সম্প্রীতি বাংলাদেশের নয়: পীযূষ * জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা * সুস্থ হয়ে দেশে ফিরলেন ওবায়দুল কাদের * হাইকোর্টের নির্দেশ, কোন মুক্তিযোদ্ধাকে ভুয়া বলে সম্বোধন করা যাবে না * 'গ্রুপ ২০'তে অভিষিক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ * ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত * বর্তমানে দেশে দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ * এখনো বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ সেই ৫২ পণ্য * এসিআই, তীর, রুপচাঁদা, প্রাণসহ ১৮টি কোম্পানীর ৫২টি মানহীন খাদ্যপণ্য বিক্রি বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ * বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট দিয়ে সম্প্রচার শুরু হচ্ছে আজ * ১৫ মে দেশে ফিরছেন ওবায়দুল কাদের * লন্ডন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী * সৌদি আরবের প্রস্তাবিত ৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার প্রক্রিয়া শুরু * বিশ্বের কোথাও মুসলিমরা রোজা রাখছেন ২৩ ঘণ্টা আবার কোথাও সাড়ে ৯ ঘন্টা * খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে বিএসটিআই'র কাজে হাইকোর্টের অসন্তোষ * খাদ্যে ভেজাল ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স, জনগণকে স্বস্তি দিতে প্রথম রমজান থেকেই অভিযান শুরু * বেসরকারী টেলিভিশনে সংবাদ প্রচারের সময় কোন বিজ্ঞাপন নয় - হাইকোর্ট * পদ্মায় বসল ১২তম স্প্যান, দৃশ্যমান ১৮শ' মিটার * চলে গেলেন সুবীর নন্দী * পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু * এস এস সি'তে পাসের হার ৮২.২০% * এসএসসির ফল আজ * প্রধানমন্ত্রীর চোখের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন *
     03,2019 Friday at 06:34:47 Share

ঘুর্ণিঝড় ফণি' : ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবংগ হয়ে স্থলপথে বাংলাদেশের রাজশাহী দিয়ে প্রবেশ করতে পারে ফণি

ঘুর্ণিঝড় ফণি' : ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবংগ হয়ে স্থলপথে বাংলাদেশের রাজশাহী দিয়ে প্রবেশ করতে পারে ফণি

ঘন্টায় ২০০ কিমি বেগে ধেয়ে আসা প্রচন্ড ঘুর্ণিঝড় ফনি ভারতের উড়িষ্যা উপকূলে পৌঁছে গেছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি উপকূল অতিক্রম করা শুরু করবে।

ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাত ১১টায় ফণী ওড়িশার পুরী থেকে ২৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, অন্ধ্রের বিশাখাপত্তম থেকে ১৭০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে ৫৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আর বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদ্প্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ঘূর্ণিঝড় ফণী চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৯০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৮৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
ভারতীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইহা শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে গোপালপুর আর চাঁদবালির মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানতে পারে ফণী। তখন বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার ব্যাসের এই ঘূর্ণিঝড় পুরোপুরি স্থলভাগে উঠে আসার প্রক্রিয়া চলবে কয়েক ঘণ্টা। এরপর মুষলধারে বৃষ্টি ঝরাতে ঝরাতে এবং ঘূর্ণি বাতাসের তাণ্ডব চালাতে চালাতে ফণী অগ্রসর হতে পারে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে।
স্থলভাগে এসে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকবে এ ঘূর্ণিঝড়। পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের সময় বাতাসের গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার।
এই পথ ঠিক থাকলে ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বাতাসের শক্তি নিয়ে ঘূর্ণিঝড় ফণী শনিবার দুপুরে রাজশাহী হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে বলে ভারতীয় আবহাওয়াবিদদের ধারণা। বাংলাদেশে প্রবেশের পর সিলেট অঞ্চল দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এর গতিবেগ ঘন্টায় ৩০ কিমি এ নেমে আসতে পারে।
তবে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশের স্থলভাগ পার হওয়ার সময় ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় ফণী এগিয়ে আসায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা এবং সংলগ্ন দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং নিকটবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
আর কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে আগের মতই ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। বুধবার দুপুরে দেশের সবগুলো বন্দরেই ৪ নম্বর সংকেত জারি করা হয়েছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেছেন,বাংলাদেশে মহাবিপদ সংকেত দেওয়ার সময় এখনও হয়নি। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের মতিগতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

User Comments

  • জাতীয়