২২ জুলাই ২০১৯ ৫:২২:৪০
logo
logo banner
HeadLine
দূত সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী * রাজধানীতে ছেলেধরা সন্দেহে গনপিটুনিতে নিহতের ঘটনায় ৫০০ জনের বিরুদ্ধ্বে হত্যা মামলা * লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী * ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি উল্লেখযোগ্য নাম, সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে প্রিয়া সাহার অভিযোগ সঠিক নয়, : মার্কিন রাষ্ট্রদূত * রিফাত হত্যায় আদালতে মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি * রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান * জিএম কাদের জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান * এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৩.৯৩ * অরক্ষিত রেলক্রসিং, মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ নিহত ৯ * উন্নয়নের গতি বাড়াতে ডিসিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ * রোমাঞ্চকর ফাইনাল জিতে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড * হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর জীবনাবসান * দুর্নীতির কারণে আমাদের অর্জনগুলো যেন নষ্ট হয়ে না যায় - প্রধানমন্ত্রী * কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে নিহত ২, আরো ভারী বর্ষণ-ভূমিধসের সম্ভাবনা * বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান * ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা, সতর্ক অবস্থানে সরকার * আরও বৃষ্টির আশংকা, বিপদসীমার উপরে প্রধান নদ-নদীর পানি * জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় সচেতন হতে বিশ্বনেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী * গুজব ছড়ানো ইসলামে এক ভয়াবহ অপরাধ * কিছু কিছু ওসি-ডিসি নিজেদের জমিদার মনে করে: হাইকোর্ট * আরও ভারী বর্ষণের আশঙ্কা * প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, অর্জন অনেক বেশি * ৫ দিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী, সোমবার সংবাদ সম্মেলন * ঝড়ো বাতাসের শঙ্কা, সাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা * দ্রুত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ঢাকা-বেইজিং একমত * শেখ হাসিনা - লি কেকিয়াংয়ের বৈঠক , রোহিঙ্গা ফেরাতে মিয়ানমারকে রাজি করতে চেষ্টা চালানোর আশ্বাস চীনের * চীনের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে : বেজিংয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী * ২৫ বছর পর ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা মামলার রায় : ৯ জনের ফাঁসি, ২৫ জনের যাবজ্জীবন ও ১৩ জনের ১০ বছর * টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব * বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত *
     26,2019 Wednesday at 13:26:56 Share

নতুন আর বিদ্যুত কেন্দ্র নয়, ৩০ সাল নাগাদ উৎপাদন হবে ৩৭ হাজার মেগাওয়াট

নতুন আর বিদ্যুত কেন্দ্র নয়,  ৩০ সাল নাগাদ উৎপাদন হবে ৩৭ হাজার মেগাওয়াট

জনকণ্ঠ :: বিদ্যুত উৎপাদনে নতুন আর কোন প্রকল্প নেয়া হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত যেসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে তাতে আরও দশ বছর বিদ্যুতের চাহিদা মিটানো সম্ভব। উৎপাদন মহাপরিকল্পনা পর্যালোচনা করে পাওয়ারসেল সরকারকে নতুন কোন প্রকল্প গ্রহণ না করার সুপারিশ করেছে। পাওয়ারসেল বলছে এখন বিদ্যুত উৎপাদনের যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তাতে ২০৩০ সালে গিয়ে উৎপাদন দাঁড়াবে ৩৭ হাজার মেগাওয়াট। আর তখন চাহিদা থাকবে ২৯ হাজার মেগাওয়াট। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চাহিদা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করে নতুন এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।


জানতে চাইলে পাওয়ারসেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন  বলেন, আমাদের যে বিদ্যুত উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা রয়েছে তা পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি করা হয়েছিল। ওই কমিটির পর্যবেক্ষণে মনে করা হয়েছে মহাপরিকল্পনায় কাটছাঁট করা যেতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চাহিদা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় আমরা মনে করছি যেসব প্রকল্প ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নই যথেষ্ট। এসব প্রকল্পের কিছুর নির্মাণ কাজ চলছে, কিছু দরকষাকষি এবং দরপত্র প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এর বাইরে আর নতুন কেন্দ্র নির্মাণের প্রয়োজন নেই। তবে তিনি বলেন, সরকার ১০০ বিশেষ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল গঠন করছে। এটি সফল হলে চাহিদা এক সঙ্গে বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যাবে। তখন এই পরিকল্পনা আবার বদলাতেও হতে পারে।


এখন চাহিদা এবং উৎপাদন ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য নেই। বলা হচ্ছে চাহিদা ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উঠছে না। কিন্তু এর বিপরীতে আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের উপরে। গ্রীষ্মের সময়ই ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্র বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। শীতের সময় কোন কোন ক্ষেত্রে চাহিদা পাঁচ হাজার মেগাওয়াটে নেমে যাচ্ছে। তখন ১০ হাজার মেগাওয়াটের উপরে বিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হচ্ছে।


এতে বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে। কেন্দ্র বন্ধ রাখলেও কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ উৎপাদন ছাড়াও কেন্দ্রগুলোকে যে অর্থ পরিশোধ করতে হয় তাতে লোকসানে পড়ছে পিডিবি। যদি কেন্দ্র নির্মাণে চাহিদার সঙ্গে ভারসাম্য সৃষ্টি হতো সেক্ষেত্রে এই বাড়তি ব্যয় হতো না।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুত খাতের মহাপরিকল্পনার যে পর্যালোচনা করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে যে কেন্দ্রগুলো এখন বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এতে প্রতিবছরই উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এভাবে ২০৩০ সাল বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নিজস্ব উৎপাদন দাঁডাবে নয় হাজার মেগাওয়াট। আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এপিসিএল) উৎপাদন দাঁড়াবে ৪০০ মেগাওয়াট। ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশের (ইজিসিবি) উৎপাদন বেড়ে দাঁড়াবে ৬৬৮ মেগাওয়াট। নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির উৎপাদন বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচ হাজার ৮০১ মেগাওয়াট। রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদন বেড়ে দাঁড়াবে দুই হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। পিডিবি এবং আরপিসিএল বিদ্যুত উৎপাদন করবে ৩১৩ মেগাওয়াট বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল) উৎপাদন থাকবে এক হাজার ২৪০ মেগাওয়াট। কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (সিপিজিসিবিএল) উৎপাদন হবে ৪ হাজার ৮৫০ মেগাওয়াট। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র কোম্পানি (এনপিসিবিএল) ২ হাজার ২৩২ মেগাওয়াট এছাড়া বেসরকারী খাত থেকে সাত হাজার ৮৮৯ মেগাওয়াট ও বিদ্যুত আমদানি থেকে দুই হাজার ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুত পাওয়া যাবে। সম্মিলিতভাবে ২০৩০ সালে এই কেন্দ্রগুলো যথাযথভাবে উৎপাদনে আসলে ৩৭ হাজার মেগাওয়াট হবে উৎপাদন ক্ষমতা। এর বিপরীতে ২০৩০ সালে ২৯ হাজার ৬১৯ মেগাওয়াট সর্বোচ্চ চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ তখন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহ করতে চাইলেও কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ তখনও উৎপাদন ক্ষমতার চেয়ে চাহিদা আট হাজার মেগাওয়াট কম থাকবে।


উৎপাদন মহাপরিকল্পনা পর্যালোচনা করে পাওয়ারসেল যে প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে তাতে বলা হয়েছে ২০১৯ সালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকবে ১২ হাজার ৩৪৮ মেগাওয়াট ২০১৫ সালে ২১ হাজার ৬২৫ মেগাওয়াট। সরকার বলছে ২০২১ সালের মধ্যে সবার ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দেবে। এখন ৯৩ ভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুত রয়েছে। অর্থাৎ সাত ভাগ মানুষের ঘরে এখন বিদ্যুত নেই। যাদের বিদ্যুতের চাহিদাও খুব কম। ফলে একবার সবার ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে গেলে চাহিদা বৃদ্ধির প্রবৃদ্ধি খুব একটা হওয়ার কথা নয়। এখন বাৎসরিক বিদ্যুত চাহিদা প্রবৃদ্ধি ১০ ভাগ ধরা হলেও সেই চাহিদা ২০২১ এরপর এভাবে আর বৃদ্ধি পাবে না।


অন্যদিকে গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর আস্থা না থাকাতে শিল্প মালিকরা নিজস্ব কেন্দ্র বা ক্যাপটিভ পাওয়ার বিদ্যুত উৎপাদন করে চাহিদা মেটাচ্ছে। সকল শিল্পে গ্রিডের বিদ্যুত সরবরাহ করা সম্ভব হলে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পেত। কিন্তু পুরাতন ক্যাপটিভের সঙ্গে নতুন করে গত বছরই ৮০০ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ক্যাপটিভ বিদ্যুতের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ফলে খুব শীঘ্রই শিল্পেও নতুন বিদ্যুতের চাহিদা খুব একটা বাড়বে না।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করেন এখনও অনেক বিদেশী কোম্পানিই নতুন নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করার জন্য আগ্রহীরা প্রস্তাব জমা দিচ্ছেন। নতুন প্রস্তাবের পিছনে সময় ব্যয় করার কোন যৌক্তিকতা এখন আর নেই।


চলতি বছরের শেষের দিকে পায়রা এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট উৎপাদন শুরু করবে। এর ছয় মাস পর উৎপাদনে আসবে দ্বিতীয় ইউনিট। এছাড়া আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৭ এবং ১৮ মিলেয়ে রামপাল এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কেন্দ্রের উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে। অর্থাৎ আগামী দুই বছরে দুই হাজার ৬৪০ মেগাওয়া বিদ্যুত জতীয় গ্রিডে যোগ হবে। এছাড়া ২০২৪ সালে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন শুরু করবে। একই সময়ে উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে রূপপুর-পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র। বিদ্যুত কেন্দ্রটি থেকে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন হবে।


চলতি বছর থেকে ২০২৪ সাল অর্থাৎ আগামী পাঁচ বছরে ছয় হাজার ১৮০ মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হবে। যার প্রত্যেকটি বিদ্যুত কেন্দ্র হবে বেইজ লোড বা বড় বিদ্যুত কেন্দ্র। চাইলেও হুট করে এসব বিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধ করা যাবে না। ফলে বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণের আগে ভেবে চিন্তে করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


বিদ্যুত খাতের প্রকৌশলীরা বলছেন, বড় বিদ্যুত কেন্দ্র একবারে বন্ধ করা যায় না। বড় বিদ্যুত কেন্দ্র যেহেতু বন্ধ করা যায় না তাই সেগুলো চালু রেখে ছোট বিদ্যুত কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হবে। যেখানে কেন্দ্র চালানোই যাবে না সেখানে নতুন কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।


পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশ পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম আল বেরুনী বলেন, আমাদের বিতরণ ব্যবস্থা স্থিতিশীল নয়। একই দিনে রাতে কয়েক দফা চাহিদার পরিবর্তন ঘটে। কোন সময় হুট করে বৃষ্টি বা ঝড় হলে বিতরণ কোম্পানি বিদ্যুত বিতরণ বন্ধ করে দেয়। বেশিরভাগ সময়ই এটি পিজিসিবিকে না জানিয়েই করা হয়। কিন্তু যখন বড় বিদ্যুত কেন্দ্র উৎপাদনে আসবে বিতরণ কোম্পানি চাইলেও এভাবে বিতরণ বন্ধ করতে পারবে না। সে জন্য বড় কেন্দ্র উৎপাদনে আসার আগেই বিতরণ ব্যবস্থার এই ত্রুটি দূর করতে হবে।


পিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালিদ মাহমুদ বলেন, আমরা পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্লান যখন করেছি তখন বলা হয়েছে প্রতি পাঁচ বছর পরপর আমরা একবার মাস্টার প্লান করব এবং ২ বছর পর পর একটি রিভিজিট করব। ফলে এখনই বলা কঠিন আগামীতে কি হবে।


 


হজের যাত্রা শুরু ৪ জুলাই


আসন্ন হজ মৌসুমের প্রথম ফ্লাইট যাবে বাংলাদেশ থেকে। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) হজের প্রথম ফ্লাইট যাত্রা করবে। প্রথম ফ্লাইটে ৪১৯ হজযাত্রী বাংলাদেশ বিমানে করে সৌদির কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে পৌঁছুবেন।


বাংলাদেশ বিমানের জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকারের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চলতি মৌসুমের প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি-৩০০১) ৪ জুলাই সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যাত্রা করবে। এছাড়াও নির্ধারিত সময়ে এবং নির্বিঘ্নে হজের প্রতিটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করেছে।


বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব মো: মাহবুব আলী ও ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোঃ আবদুল্লাহ উদ্বোধনী ফ্লাইটের যাত্রীদের বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।

User Comments

  • জাতীয়