৬ মার্চ ২০২১ ২১:৫:৪৪
logo
logo banner
HeadLine
০৫ মার্চ : দেশে নতুন শনাক্ত আরও ৬৩৫, মারা গেছেন ৬ জন, সুস্থ ৬৭৬ * অপরাধ যাই হোক, শিশুর সাজা ১০ বছরের বেশি নয়: হাইকোর্ট * প্রতিবেশী দেশগুলোর সমস্যা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত : প্রধানমন্ত্রী * টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী * গবেষণা ও বিজ্ঞানের বিবর্তন দেশের উন্নয়নে অপরিহার্য : প্রধানমন্ত্রী * এইচ টি ইমামের মৃত্যু, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক * ০৩ মার্চ : দেশে নতুন শনাক্ত আরও ৬১৪, মারা গেছেন ৫ জন, সুস্থ ৯৩৬ * সন্দ্বীপের ১৩টিসহ ৩৭১ ইউপি ভোট ১১ এপ্রিল * ২ মার্চ : দেশে নতুন শনাক্ত ৫১৫, মৃত্যু ৭, সুস্থ ৮৯৪ জন * বর্তমানে দেশে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার ৬৬৯ * জনগণের জন্য খাদ্য, বাসস্থান ও টিকার প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী * দেশে এ পর্যন্ত করোনা টিকা নিয়েছেন সোয়া ৩২ লাখ, নিবন্ধন করেছেন ৪৪ লাখ * ০১ মার্চ : আজ নতুন শনাক্ত ৫৮৫, মৃত্যু ৮, সুস্থ ৮৭৩ জন * জনগণকে বীমায় উদ্বুদ্ধ করতে কোম্পানীগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান * ২৮ ফেব্রুয়ারি : করোনায় নতুন শনাক্ত ৩৮৫, মুত্যু ১১, সুস্থ ৮১৭ জন *
     28,2021 Sunday at 21:46:55 Share

বঙ্গবন্ধু, ৭ মার্চ ও কালোত্তীর্ণ অহিংস দ্রোহ

বঙ্গবন্ধু, ৭ মার্চ ও কালোত্তীর্ণ অহিংস দ্রোহ

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী :: স্বমহিমায় ভাস্বর কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত ‘দেশোদ্ধার’ কবিতার পঙ্ক্তি উচ্চারণে নিবন্ধের নিভানন। ‘বার-বার তিনবার, - এবার বুঝেছি চাষা ছাড়া কভু হবে না দেশোদ্ধার!/শোন রে শ্রমিক শোন ভাই চাষা আমাদের বুকে যত ভালবাসা/ঢালিব বিলাব তোদের দুয়ারে অকাতরে অনিবার।/তোদের দুঃখে হায়- পাষাণ হলেও চক্ষের জলে বক্ষ ভাসিয়া যায়।/করো নাকো ভাই হীন আশঙ্কা, এবার নয়নে ঘষিনি লঙ্কা;/সত্য-সত্য ত্রিসত্য করি হৃদয় তোদেরই চায়।/ওরে চির পরাধীন! তোরা না জানিস, মোরা জানি তোর কী কষ্টে কাটে দিন।/নানা পুঁথি পড়ে পেয়েছি প্রমাণ/তোরাই দেশের তেরো আনা প্রাণ;/বৎসরে হায় বিশ টাকা আয়, তবু তোরা ভাষাহীন!’ উল্লিখিত কবি-ভাবনায় পরিপূর্ণ বিশ্বাসী মহাকালের মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জ্ঞানেন্দ্রিয় বুদ্ধিমত্তার অপরিসীম বোধালয়ে ধারণ করতে পেরেছিলেন স্বাধীন মাতৃভূমি ছাড়া বাঙালীর আর্থ-সামাজিক মুক্তি কোনভাবেই সম্ভব নয়।

বহিঃ এবং অভ্যন্তরীণ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের উৎপীড়ন নির্বাণে আপামর জনশক্তির সম্মিলন অনিবার্য নির্যাস। এই লক্ষ্যেই ১৯৬৯, ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে এই অঞ্চলের নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’। ১৯৭০, ৭ জুন রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় এবং ২৮ অক্টোবর বেতার ও টেলিভিশন ভাষণে বাঙালীর মুক্তিসনদ ছয় দফা বাস্তবায়নে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। ১৭ অক্টোবর নদীমাতৃক বাংলাদেশের অপরিহার্য বাহন ‘নৌকা’কেই দলের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেন। এটি সকলেরই জানা যে, ৭ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে আওয়ামী লীগ একক ও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ৩ জানুয়ারি, ১৯৭১ রেসকোর্সের জনসভায় সকল নির্বাচিত সদস্যের ছয় দফার ভিত্তিতে শাসনতন্ত্র রচনা এবং জনগণের প্রতি আনুগত্য থাকার বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে শপথ অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।

২৮ জানুয়রি, ১৯৭১ ভুট্টোর সঙ্গে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী আলোচনা ব্যর্থ হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের বৈঠক আহ্বান করে ১ মার্চ অনির্দিষ্টকালের জন্য বৈঠক স্থগিতের প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সামরিক জান্তার অপশাসন অব্যাহত রাখার কূটচক্রান্তের বিরুদ্ধে দেশবাসীর মধ্যে প্রকম্পিত প্রক্ষোভে বজ্রকঠিন ব্রত সঞ্চারিত হয় এবং ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে দেশব্যাপী স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালন করেন।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু প্রকৃত অর্থেই বাঙালী জাতিসত্তার উন্মেষ ঘটিয়ে দীর্ঘ অহিংস স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে অর্জিত স্বাধীনতাকেই অর্থবহ আনুষ্ঠানিকতা প্রদান করেন। এটি কালপরিক্রমায় খ্যাতিমান রাজনীতিক, গবেষক, বুদ্ধিজীবীসহ সব মহলে কালজয়ী, যুগান্তকারী ও বিশ্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে সমাদৃত এবং সর্বোপরি বিশ্বসভায় ঐতিহাসিক নান্দনিক ঐতিহ্যিক দলিল হিসেবে গৃহীত।

বিশ্বের অনন্যসাধারণ জনপ্রিয়তা ও মর্যাদায় অধিষ্ঠিত অন্ধ, নিঃস্ব-দরিদ্র গায়ক মহাকবি হোমার সর্বকালের শীর্ষ ‘ইলিয়াড’ ও ‘ওডিসি’ গ্রীক মহাকাব্য রচনা করে অদ্যাবধি যেমন অম্লান রয়েছেন, ৭ মার্চের কালোত্তীর্ণ বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ বিশ্ব ইতিহাসের অধ্যায়ে চিরঅম্লান ও চিরসম্ভাষিত থাকবে- দৃঢ়চিত্তে এটি বলা যায়। সমুদ্যম অভিমত বর্ণনায় বাঙালী কবি ও লেখক অজয় দাশ মহোদয়ের ‘বঙ্গবন্ধু : আদিগন্ত যে সূর্য’ কবিতার সমস্বরে নিঃসন্দেহে মনোহর উচ্চারণে বঙ্গবন্ধুমনীষার বন্দনা করা যায়- ‘বাঙালী কি বাঙালী হয় শাড়ি, ধুতি, লুঙ্গি ছাড়া/ থাকে না তার বর্গ কিছুই না থাকলে টুঙ্গিপাড়া/ সুর-অসুরে হয় ইতিহাস, নেই কিছু এ দু’জীব ছাড়া/বাংলাদেশের ইতিহাসে দেবতা নেই মুজিব ছাড়া/....... বাংলাদেশের মুক্তিও নেই মুজিব নামের সূর্য ছাড়া’। সমাকর্ষী বিপুল সংখ্যক রূপায়িত অভিধায় বঙ্গবন্ধু বর্তমান বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই সচেতন সকল নাগরিকের ধারণায় অপরিমেয় প্রভায় দীপ্তমান।

ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় জার্মানির হিটলার কর্তৃক ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ড এবং ১৯৪০ সালের এপ্রিলে নরওয়ে দখল নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চ্যাম্বারলিন ব্যর্থতার দায়ে পদত্যাগে বাধ্য হলে উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়াকালে পার্লামেন্টে ১৯৪০ সালের ৪ জুন তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, We shall fight on the seas and oceans, we shall fight with growing confidence and growing strength in the year...., we shall fight on the beaches,… We shall fight in the fields and in the streets and…, we shall never surrender.’ একইভাবে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ রেসকোর্সে বৈপ্লবিক প্রচেষ্টায় বলেছিলেন ‘আর তোমরা গুলি করার চেষ্টা কর না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবা না।’

অন্যান্য বিশ্বখ্যাত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাতা ও সফল রাষ্ট্রনায়কের যেসব ভাষণ বিশ্ববাসীকে করেছে নির্ভীক প্রাণীত ও প্রতিশ্রুত, সব ভাষণই ছিল সম্ভবত লিখিত ভাষণ। ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল একমাত্র ব্যতিক্রম। লিখিত তো নয়ই, কোন ধরনের ফুটনোট বা স্ক্রিপ্ট দেখে বঙ্গবন্ধু এই ভাষণ প্রদান করেননি। দৃপ্তকণ্ঠে নির্মাল্য তেজঃপূর্ণ অসাধারণ দুর্লঙ্ঘ ভঙ্গিমায় দেশ সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অহিংস অসহযোগ আন্দোলন পরিচালনা এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের সার্বিক দিগদর্শন ও নির্দেশনা প্রদান করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতির পিতা স্ব-স্ব দেশের জনগণকে জাতি-রাষ্ট্র উপহার দেয়ার যৌক্তিক পটভূমি তৈরিতে অবদানঋদ্ধ হয়েছেন। রাশিয়ান জাতির পিতা প্রথম পিটার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন, মেক্সিকোর মিগুয়্যেল হিডালগো, উরুগুয়ের জোসে গার্ভাসিও অর্টিগাস, চেক প্রজাতন্ত্রের ফ্রান্টিসেক প্যালাকি, আধুনিক চীনের সান ইয়াত সেন, ভারতের মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, তুরস্কের মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক, সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইয়ো প্রমুখের জীবন ও রাষ্ট্রদর্শন যেমন বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে, বঙ্গবন্ধুর অত্যুজ্জ্বল অবস্থান অতিশয় দিগ¦লয় এবং প্রমিত।

মহাত্মা গান্ধীর দেশ-মুক্তিদর্শন বা সশস্ত্র পন্থা ব্যতিরেকে পরিপূর্ণভাবে অহিংস প্রক্রিয়ায় অসহযোগ আন্দোলনকে জনসম্পৃক্ত করে ব্রিটিশ বেনিয়াদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনা করে দেশ স্বাধীন করেছেন। বঙ্গবন্ধুও একইভাবে বাঙালীদের সংগঠিত করে নিখাদ দেশপ্রেমে প্রোজ্জ্বল অসহযোগ আন্দোলন পরিচালনা করেছেন। ‘The Story of ¸ Experiments with Truth শিরোনামে আত্মজীবনী গ্রন্থে গান্ধীজী লিখেছেন, ‘মানুষের জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা ভয়, নিরাপত্তাহীনতা ও দানবীয় আকাক্সক্ষার সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়ী হওয়া।’ ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের রূপরেখায় জনদুর্ভোগে যেন দেশবাসী কোন রকমের বঞ্চনার শিকার না হয় এবং খাদ্য, অর্থ কষ্টে বিপর্যস্ত হয়ে না পড়েন তার জন্য বলেছিলেন, ‘এর পরে যদি বেতন দেয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের হত্যা করা হয়, তোমাদের ওপর কাছে আমার অনুরোধ রইল প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু, আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে।’

ভাষণে বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, ‘সরকারী কর্মচারীদের বলি : আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এ দেশের মুক্তি না হবে খাজনা, ট্যাক্স বন্ধ করে দেয়া হলো। কেউ দেবে না। মনে রাখবেন, শত্রুবাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটপাট করবে। এই বাংলায় হিন্দু-মুসলমান, বাঙালী-অবাঙালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের ওপরে। আমাদের যেন বদনাম না হয়।’ অহিংস রণকৌশল উদ্ভাবনে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা ছিলÑ ‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব- এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।’ বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠত্বÑ তিনি শুধু বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টাই ছিলেন না, অসাধারণ এক ঐক্যের বন্ধনে বাঙালী জাতিকে একতাবদ্ধ করে হাজার বছরের বাঙালী জাতির স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুকে প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তি প্রয়োগের যেমন প্রয়োজন পড়ে না, তেমনি তাঁকে ইতিহাস থেকে নির্বাসিত করাও অসম্ভব। ১৯৭৫-এর ২৮ আগস্ট তারিখে লন্ডনের ‘দি লিসনার’ পত্রিকায় বিবিসির সংবাদদাতা ব্রায়ান ব্যারনের ভবিষ্যদ্বাণী- ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে উচ্চতর আসনেই অবস্থান করবেন। তাঁর বুলেট-বিক্ষত বাসগৃহটি গুরুত্বপূর্ণ ’স্মারক-চিহ্ন’ এবং কবরস্থানটি ‘পুণ্যতীর্থে’ পরিণত হবে। আজ এটি অতিসার্থকতার সঙ্গে বিশ্বব্যাপী সত্যবাণীতে পরিণত হয়েছে। অধ্যাপক আবুল ফজলের ভাষায় ‘শত চেষ্টা করেও তাঁর নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। ইতিহাস দেয় না তেমন কিছু করতে। ইতিহাস নিজের অঙ্গ করে না ছেদন। শেখ মুজিব ইতিহাসের তেমন এক অচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাংলাদেশের শুধু নয়, বিশ্ব ইতিহাসেরও।’ নিবন্ধের কোথাও কোন বিষয় পুনরোল্লেখিত হয়ে থাকলে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ এবং পাঠকের ক্ষমাসুন্দর মনোযোগ প্রত্যাশা করছি।

লেখক : শিক্ষাবিদ, সাবেক উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

User Comments

  • আরো