২৩ জানুয়ারি ২০২১ ১৬:৪৯:০৪
logo
logo banner
HeadLine
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : মিয়ানমার মন্ত্রী * 'মুজিব' বর্ষ উপলক্ষে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে বাড়ি বিতরণ কাল, ফেব্রুয়ারীতে দেয়া হবে আরও ১ লাখ * ২২ জানুয়ারী : দেশে ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ৬১৯, মৃত্যু ১৫, সুস্থ ৪৮৭ জন * ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হ্যাট্টিক সিরিজ জয়, প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন * ভ্যাকসিন: পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আলাপ কতটা সত্য? * ভারতের উপহারের ২০ লাখ ভ্যাকসিন গ্রহণ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী * সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে কোভিডকালে বিশ্বমন্দা এড়াতে পেরেছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী * নামতে পারে বৃষ্টি, বাড়বে শীতের প্রকোপ * ১৮ জানুয়ারী : দেশে নতুন শনাক্ত ৬৯৭, মারা গেছেন ১৬, সুস্থ ৭৩৬ জন * বছরের প্রথম অধিবেশন শুরু, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূলে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে আহবান জানালেন রাষ্ট্রপতি * জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯' প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী * সন্দ্বীপে মোক্তাদের মাওলা সেলিমসহ দ্বিতীয় ধাপের ৬০ পৌর নির্বাচনে মেয়র হলেন যারা * বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আবদুল কাদের মির্জা জয়ী * ১৬ জানুয়ারী : আজ করোনায় শনাক্ত ৫৭৮, মৃত ২১, সুস্থ ৬৩৩ * ভারতে করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন *
     16,2021 Saturday at 18:28:44 Share

'সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে ঐক্যবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়বো' - প্রধানমন্ত্রী

'সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে ঐক্যবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়বো' - প্রধানমন্ত্রী

জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি বলেন, সোনার বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন, সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের কার্যকরি ভূমিকা রাখবো, ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে হলেও ত্রিশ লাখ শহীদ দুই লাখ নির্যাতিত মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখা হবে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন

তিনি বলেন, বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এই মহান নেতার অনুপস্থিতিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত জয়ের উল্লাস-উদ্দীপনায় অপূর্ণতা ছিল যেমন স্পষ্ট, তেমনই যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশ পুনর্গঠনে তার নেতৃত্বগ্রহণ সার্বজনীন উপলব্ধিতেও ছিল অতি প্রতীক্ষিত। তাই, ১০ জানুয়ারি বাংলার মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে অনুভব করেছিল পরিপূর্ণ বিজয়ের স্বাদ

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য দীর্ঘ ২৪ বছর সংগ্রাম করেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম সব ক্ষেত্রেই তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, সবসময় দূরদর্শী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে গিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেছেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৭০ এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। তিনি হয়ে ওঠেন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই পাকিস্তানি বাহিনী জাতির পিতাকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের নির্জন কারাগারে পাঠায় তার ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালাতে থাকে। প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুণতে গুণতেও তিনি বাঙালির জয়গান গেয়েছেন। তিনি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণশক্তি। তার অবিচল নেতৃত্বে বাঙালি জাতি মরণপণ যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনে

তিনি বলেন, পরাজিত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ১৯৭২ সালের জানুয়ারি প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। একই দিন সকাল ৬টা ৩৬ মিনিটে তিনি লন্ডনে অবতরণ করেন। সেখানে কমনওয়েলথ মহাসচিবের আহ্বানে বাংলাদেশের সদস্যপদ গ্রহণে তাৎক্ষণিক সম্মতি জানান, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সংবাদ সম্মেলন করেন। জাতির পিতা ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি সকালে দিল্লিতে যাত্রা বিরতি দিয়ে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে বাংলার মাটিতে পদার্পন করেন। ওইদিন রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসমুদ্রে এক ভাষণে তিনি পাকিস্তানি সামরিক জান্তার নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা দেন। সেই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা সংঘটনের দায়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে বিচারের মুখোমুখি করতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। তার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ১৯৭২ সালের ১৫ মার্চের মধ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করে। তিনি ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭২ বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বন্ধুদেশ দ্রুত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অতি অল্পদিনের মধ্যেই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় এবং একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে মাত্র সাড়ে তিন বছরেই স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পচাঁত্তরের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীচক্র জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে এদেশে হত্যা, ক্যু ষড়যন্ত্রের রাজনীতি চালু করে। তারা৭৫ এর ২৬ সেপ্টেম্বর দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেয়। মোস্তাক-জিয়াচক্র খুনিদের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে কূটনৈতিকের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করে, রাজনৈতিকভাবেও প্রতিষ্ঠিত করে। মার্শাল জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে বিকৃত করে। সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রুদ্ধ করে। বিএনপি-জামায়াত সরকার ধারা অব্যাহত রাখে

২১ বছরের দীর্ঘ সংগ্রাম এবং অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, একই বছর ১২ নভেম্বর

User Comments

  • জাতীয়