২৬ জুন ২০২২ ৮:২৪:৪৭
logo
logo banner
HeadLine
পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী * সেতুর চেয়েও বড় * চ্যালেঞ্জ জয়ে স্বপ্ন পূরণ, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ * দেশের অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না - প্রধানমন্ত্রী * আগামী নির্বাচনে জনগণ নৌকাই বেছে নেবে - আওয়ামী লীগ সভানেত্রী * শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্ক পরার নির্দেশ * ২৩ জুন, ২০২২ : ১৪.৩২ হারে আজ শনাক্ত ১৩১৯ * বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অহংকার - প্রধানমন্ত্রী * ২১ জুন, ২০২২:১১.৩ শতাংশ হারে আজ শনাক্ত ৮৭৪, মৃত ১ * বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে - প্রধানমন্ত্রী * দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার * ২০ জুন, ২০২২: শনাক্ত ও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে, ১০.৮৭ শতাংশ হারে আজ শনাক্ত ৮৭৩, মৃত ১ * বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কাল থেকে রাত ৮টার পর দোকান-মার্কেট বন্ধ *
     19,2022 Sunday at 21:30:10 Share

বরেণ্য সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই

বরেণ্য সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই

বিশিষ্ট সাংবাদিক, গীতিকার, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী মারা গেছেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে লন্ডনে তিনি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্বদেশ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ার চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা জহুরা খাতুন। ১৯৫০ সালে গাফফার চৌধুরী পরিপূর্ণভাবে কর্মজীবন শুরু করেন। এ সময়ে তিনি ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। মহিউদ্দিন আহমদ ও কাজী আফসার উদ্দিন আহমদ তখন ‘দৈনিক ইনসাফ’ পরিচালনা করতেন। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন। আবদুল গাফফার চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ এর রচয়িতা।  

মাসিক সওগাত, দিলরুবা, মেঘনা, ইত্তেফাক, আজাদ, জেহাদ ও পূর্বদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন বরেণ্য এই সাংবাদিক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা পৌঁছান। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলায় লেখালেখি করেন। এ সময় তিনি কলকাতায় দৈনিক আনন্দবাজার ও যুগান্তর পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক জনপদ বের করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলজিয়ার্সে ৭২ জাতি জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যান তিনি। দেশে ফেরার পর তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কলকাতা নিয়ে যান। সেখানে সুস্থ না হওয়ায় তাকে নিয়ে ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে যান। এরপর তার প্রবাসজীবনের ইতিহাস শুরু হয়।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন তিনি। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশী’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন। এর মধ্যে আছে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ’, ‘একজন তাহমিনা’ ও ‘রক্তাক্ত আগস্ট’।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।

User Comments

  • জাতীয়