৪ আগস্ট ২০২১ ১৯:২৪:০৮
logo
logo banner
HeadLine
শিবগঞ্জে বজ্রপাতে ১৬ বরযাত্রীর মৃত্যু * ০৪ অগাস্ট ২০২১: চট্টগ্রামে ৩৪.৮৭ হারে শনাক্ত ১২৮৫,মৃত ১৬ জন * ০৩ অগাস্ট ২০২১ :পরীক্ষা ৫৫২৮৪, শনাক্ত ১৫৭৭৬, শনাক্তের হার ২৮.৫৪, মৃত ২৩৫, সুস্থ ১৬২৯৭ * বিকালে জাপান থেকে আসছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ৬ লাখ টিকা * জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণই বাংলাদেশের উন্নতি : প্রধানমন্ত্রী * টিকা ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না * ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়লো চলমান বিধিনিষেধ * ০৩ অগাস্ট ২০২১: চট্টগ্রামে ৩৬.৯০ হারে শনাক্ত ১২৭৩, মৃত ১০ জন * ইনসেপ্টার সাথে যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদনে খসড়া সমঝোতা স্মারক পাঠিয়েছে সিনোফার্ম * ০২ অগাস্ট ২০২১ :পরীক্ষা ৫৩৪৬২, শনাক্ত ১৫৯৮৯, শনাক্তের হার ২৯.৯১, মৃত ২৩১, সুস্থ ১৫৪৮২ * ০২ অগাস্ট ২০২১: চট্টগ্রামে ৩৫.৩৬ হারে শনাক্ত ৯৮৫, মৃত ১১ জন * বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা ছিল সেটা একদিন বের হবে : প্রধানমন্ত্রী * ০১ অগাস্ট ২০২১ :পরীক্ষা ৪৯৫২৯, শনাক্ত ১৪৮৪৪, শনাক্তের হার ২৯.৯৭, মৃত ২৩১, সুস্থ ১৫০৫৪ * অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হচ্ছে কাল * বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া বাংলাদেশের অস্তিত্ব নেই *
     01,2021 Sunday at 12:25:18 Share

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

খেপুপাড়ানিউজ২৪.কম, ঢাকা : হাজারো মিনারের নগরী বলে পরিচিত মিসরের রাজধানী কায়রো। এই কায়রোর প্রথম মসজিদ আল-আজহার। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যে প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে বেশি পরিচিত সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই মসজিদকে কেন্দ্র করেই। মহান আল্লাহর দীপ্তিময় ঘর আল-আজহার মসজিদ। একে বলা হয় মস্ক অব দ্য রিসপ্লেনড্যানট। অত্যন্ত উজ্জ্বল ও চমৎকার বলেই এই উপাধি। 'আজ-জাহারা' অর্থ এক উজ্জল নক্ষত্র। হযরত মুহাম্মদ স.-এর আদরের কন্যা হযরত ফাতিমা রা.-এর উপাধি ছিল এটি। এই উপাধির সাথে মিল রেখে তাঁকে উদ্দেশ করেই মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে আল-আযহার মসজিদ। মাথা তুলে আছে সেই ৯৭০ খ্রিস্টাব্দ থেকে। কায়রোর তৎকালীন ফাতেমীয় খিলাফত প্রধান আল মুইজ্জলি-দীনআল্লাহ মসজিদটি তৈরির আদেশ দেন। ৯৮৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ এখানে ৩৫ জন শিক্ষাবিদকে নিয়োগ দেন। শুরুতে মসজিদের অংশহিসেবে যাত্রা শুরু হয় একটি স্কুলের। সেই স্কুলই আজ প্রখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়। মসজিদটি কখনো উপেক্ষিত হয়েছে, আবার কখনো বা হয়েছে অতি নন্দিত।আইয়ুবীয় সুলতানদের আমালে মসজিদটির মর্যাদা খর্ব করা হয়েছিল। মসজিদের স্কুলের ছাত্র আর তাদের শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে মামলুক সুলতান আবুল আল ফুতুহ মিসর বিজয়ের পর আল-আজহার মসজিদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনেন। তার শাসনামলে মসজিদটি সংস্কার করা হয়। আয়তনে বড় করে আরো মোহনীয় করা হয়। আগে মসজিদের তিনদিক ঘিরে ছিল সারি সারি খিলান। পরে চারদিকে খিলানের সারি গড়ে তোলা হয়। যা একটি সৃষ্টি করে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের। ১৭৫৩ খৃস্টাব্দে অটোমান শাসক আমীর আবেদ আল রহমান এই মসজিদের ব্যাপক এবং দীর্ঘস্থায়ী সংস্কারে হাত দেন। মসজিদটির বর্তমান কারুকার্যময় সামনের অংশটি তিনিই সংস্কার করেন। এছাড়া তিনি এখানে তিনটি মিনার নির্মাণ করেন। যার দুটি আজও টিকে আছে। তিনি মসজিদের পুর্ব-দক্ষিণ কোনে তার জন্য সমাধিসৌধও নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে মিসরীয় শাসকরা মসজিদটিতে সহযোগিতা অব্যহত রাখেন। আজ এই আল-আজহার মসজিদ মিসরীয় সমাজে একটি শক্তিশালী প্রভাব বিস্তারকারী প্রতিষ্ঠান। ইসলামিক মিসরের প্রতীক হিসেবে মাথা তুলে আছে মসজিদটি। খেপুপাড়া নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/০৭/০৭/২০১৪

User Comments

  • আরো