১৫ মে ২০২১ ১৪:০:৫৩
logo
logo banner
HeadLine
১৪ মে, ২০২১ : দেশে নতুন আক্রান্ত ৮৪৮ জন, মারা গেছেন ২৬ জন, সুস্থ হয়েছেন ৮৫২ জন * যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন * সবাইকে বর্তমান অবস্থানে থেকেই স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ১৩ মে, ২০২১ : দেশে ৯.৫৮ হারে নতুন শনাক্ত ১২৯০, মৃত্যু ৩১, সুস্থ ১৩৭০ জন * সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর * দেশের আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শুক্রবার * ১২ মে, ২০২১ : ৭.৪৫ হারে দেশে নতুন শনাক্ত ১১৪০, মৃত ৪০, সুস্থ ২৯২৮ * মিতু হত্যায় বাবুল আকতারের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর * শিমুলিয়া – বাংলাবাজার ফেরিতে গাদা্গাদি ও ভীড়ের চাপে ৫ জনের মৃত্যু * আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ, দেখা না গেলে শুক্রবার * আল-আকসা মসজিদে হামলার নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর * দেশে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ * ১১ মে ২০২১ : ৮.৬৭ হারে নতুন শনাক্ত ১২৩০, মৃত ৩৩, সুস্থ ৩০৪৪ জন * করোনার ভয়াবহ সময়ে ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষ সুইসাইড সিদ্ধান্ত নিচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী * ১০ মে ২০২১ : ৮.৯৯ হারে নতুন শনাক্ত ১৫১৪, মৃত ৩৮, সুস্থ ২১১৫ জন *
     10,2021 Monday at 20:25:05 Share

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই

বাংলা চলচ্চিত্র তথা বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই।

ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকালে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার ।

রাজ্জাকের বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। ইউনাইটেড হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর ৫টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে আনা হয় রাজ্জাককে।

“তখন তার পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেন। ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।”

রাজ্জাক স্ত্রী লক্ষ্মী (খায়রুন নেসা), তিন ছেলে বাপ্পারাজ, বাপ্পি ও সম্রাট এবং দুই মেয়ে শম্পা ও ময়নাকে রেখে গেছেন। তার ছেলেরাও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

পাঁচশর বেশি চলচ্চিত্রের অভিনেতা আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশের মানুষের কাছে নায়করাজ নামেই খ্যাত ছিলেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সাদা কালো যুগ থেকে শুরু করে রঙিন যুগ পর্যন্ত দাপটের সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাক।

রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। শৈশবেই তিনি বাবা-মাকে হারান। অভিনেতা হওয়ার মানসে ১৯৬১ সালে কলকাতা থেকে মুম্বাই পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি; সেখানে সফল না হয়ে ফিরেছিলেন টালিগঞ্জে।

কলকাতায়ও পরিস্থিতি অনুকূলে না হওয়ায় ১৯৬৪ সালে ঢাকায় চলে আসেন রাজ্জাক। প্রথমে কাজ শুরু করেন সহকারী পরিচালক হিসেবে;  এর মধ্যেই ‘তেরো নাম্বার ফেকু ওস্তাগার লেন’ চলচ্চিত্রে ছোট একটি ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। ‘ডাকবাবু’, উর্দু ছবি ‘আখেরি স্টেশন’সহ কয়েকটি চলচ্চিত্রে ছোট ছোট ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি।

এক সময় জহির রায়হানের নজরে পড়েন রাজ্জাক। তিনি ‘বেহুলা’য় লখিন্দরের ভূমিকায় অভিনয়ের সুযোগ দিলেন রাজ্জাককে, সুচন্দার বিপরীতে। ‘বেহুলা’ ব্যবসাসফল হওয়ায় আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি রাজ্জাককে।

সুদর্শন রাজ্জাক সুচন্দার পর কবরী, ববিতা, শাবানাসহ তখনকার প্রায় সব অভিনেত্রীকে নিয়ে একের পর এক ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র দেন ঢালিউডকে। এর মধ্যে রাজ্জাক-কবরী জুটি ছিল ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়।

রাজ্জাকের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আনোয়ারা’, ‘সুয়োরাণী-দুয়োরাণী’, ‘দুই ভাই’, ‘মনের মতো বউ’, ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘নীল আকাশের নীচে’, ‘ময়নামতি’, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘বেঈমান’।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ‘রংবাজ’ দিয়ে বাংলাদেশে অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্রের সূচনাও ঘটান রাজ্জাক।

‘আলোর মিছিল’, ‘পিচ ঢালা পথ’, ‘স্বরলিপি’, ‘কি যে করি’, ‘টাকা আনা পাই’, ‘অনন্ত প্রেম’, ‘বাঁদী থেকে বেগম’, ‘আনার কলি’, ‘বাজিমাত’, ‘লাইলি মজনু’, ‘নাতবউ’, ‘মধুমিলন’, ‘অবুঝ মন’, ‘সাধু শয়তান’, ‘মাটির ঘর’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘কালো গোলাপ’, ‘নাজমা’সহ অসংখ্য ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের নায়ক রাজ্জাক।

বদনাম, সৎ ভাই, চাপা ডাঙ্গার বউসহ ১৬টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন রাজ্জাক। অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় পুরস্কারসহ অনেক সম্মাননা। ২০১৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করেন তিনি। সুত্রঃবিডিনিউজ

User Comments

  • বিনোদন