১৫ মে ২০২১ ১৪:২৯:৩৬
logo
logo banner
HeadLine
১৪ মে, ২০২১ : দেশে নতুন আক্রান্ত ৮৪৮ জন, মারা গেছেন ২৬ জন, সুস্থ হয়েছেন ৮৫২ জন * যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন * সবাইকে বর্তমান অবস্থানে থেকেই স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে ঈদ উদযাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ১৩ মে, ২০২১ : দেশে ৯.৫৮ হারে নতুন শনাক্ত ১২৯০, মৃত্যু ৩১, সুস্থ ১৩৭০ জন * সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর * দেশের আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শুক্রবার * ১২ মে, ২০২১ : ৭.৪৫ হারে দেশে নতুন শনাক্ত ১১৪০, মৃত ৪০, সুস্থ ২৯২৮ * মিতু হত্যায় বাবুল আকতারের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর * শিমুলিয়া – বাংলাবাজার ফেরিতে গাদা্গাদি ও ভীড়ের চাপে ৫ জনের মৃত্যু * আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ, দেখা না গেলে শুক্রবার * আল-আকসা মসজিদে হামলার নিন্দা প্রধানমন্ত্রীর * দেশে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ * ১১ মে ২০২১ : ৮.৬৭ হারে নতুন শনাক্ত ১২৩০, মৃত ৩৩, সুস্থ ৩০৪৪ জন * করোনার ভয়াবহ সময়ে ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষ সুইসাইড সিদ্ধান্ত নিচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী * ১০ মে ২০২১ : ৮.৯৯ হারে নতুন শনাক্ত ১৫১৪, মৃত ৩৮, সুস্থ ২১১৫ জন *
     10,2021 Monday at 20:25:05 Share

৫১ আলেম-ওলামার বিবৃতি,'হেফাজতে ইসলাম দেশে ফেতনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল'

৫১ আলেম-ওলামার বিবৃতি,'হেফাজতে ইসলাম দেশে ফেতনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল'

হেফাজতে ইসলামের বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ৫১জন আলেম-ওলামা।

এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে ৫১জন আলেম-ওলামা বলেন, গতকাল দেশের বেশকিছু পত্রিকায় আলেমসমাজের নামে স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বিবৃতিটি হলো "হেফাজতে ইসলামের" বর্তমানে নেতৃত্বের একটি বিবৃতি।  বিবৃতিটি মিথ্যা ও বানোয়াট নানা ধরনের অভিযোগযুক্ত এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বিবৃতিটির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং তাদের(হেফাজতে ইসলাম) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বের বিভিন্ন অপকর্ম এবং দেশ ও ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যেভাবে দেশের জনগণ ও আলেম-ওলামারা ফুসে উঠেছে তা আড়াল করা।

বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গত মার্চ মাসে আমাদের বন্ধু ও প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে ইসলাম রক্ষার নামে হেফাজতে ইসলাম ২৫-২৮ মার্চ পর্যন্ত দেশব্যাপী ধ্বংসাত্মক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল। হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্ব মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষকদের ভুল প্ররোচনার মাধ্যমে তাদের ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ভাঙচুর, সরকারি অফিস-আদালত, ভূমি অফিস,পুলিশ স্টেশন, বিদ্যুৎ অফিস, শিশুদের বিদ্যালয়, সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত যানবাহনে আগুন দিয়েছিল। তারা সাধারণ মানুষের বাড়ি-ঘরে আগুন দিয়েছিল যে আগুনের তান্ডব থেকে আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফও রক্ষা পায়নি। এরা মূলত ইসলামের শত্রু। মুখে ইসলামের কথা বলে, ধর্মের দোহাই দিয়ে আসলে তারা(হেফাজতে ইসলাম) রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ব্যস্ত। আমাদের পবিত্র ধর্ম ইসলাম কখনোই এ ধরনের জঙ্গি কর্মকাণ্ড, ধর্মের নামে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ সমর্থন করে না ও অনুমোদন দেয়না। বরং এ ধরনের কর্মকান্ড প্রচন্ডভাবে ইসলাম বিরোধী।  আমাদের প্রিয় নবী রাসুল(সাঃ) তার জীবদ্দশায় ইসলাম ধর্ম, ইসলামের মর্মবাণী প্রচার করতে গিয়ে অন্য ধর্মের মানুষদের প্রতি অপমান-আঘাত, বাধার শিকার হয়েও কোনদিন তাদের বিরুদ্ধে কটুক্তি করেননি। বরং সবসময় তাদের প্রতি সহমর্মিতা,বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আজকে দেশে হেফাজতে ইসলাম ধর্ম রক্ষার নামে যেভাবে অন্য ধর্মের মানুষের উপসনালয়ে, তাদের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে তা আমাদের রাসুলের দেখিয়ে যাওয়া পথের পরিপন্থী।  সুতরাং এরা কখনোই প্রকৃত মুসলমান হতে পারে না। হেফাজতে ইসলাম হচ্ছে দেশে ফেৎনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল। এদের হাতে আমাদের শান্তির ধর্ম ইসলাম নিরাপদ নয়।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আপনারা জানেন হেফাজতে ইসলামের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যিনি বিভিন্ন ওয়াজ-মাহফিলে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দা সবসময় নীতি-নৈতিকতার বক্তব্য নিয়ে গরম করে রাখতেন তিনি সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে তার স্ত্রী ব্যতীত অন্য একজন নারীর রিসোর্টে সময় কাটাতে গেলে স্থানীয় জনরোষের মুখে পড়েন। পরবর্তীতে দেখা যায় তিনি তার প্রকৃত স্ত্রীর নাম দিয়ে বুকিং করে এ নারীর সাথে সেখানে যান। তিনি উত্তেজিত জনগণের কাছে এ নারীকে নিজের স্ত্রী দাবি করলেও পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তার প্রকৃত স্ত্রীর সাথে ফোনালাপে এ নারীকে অন্য ব্যক্তির স্ত্রী দাবি করেন। হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্ব এ ধরনের ভন্ড,নারীলোভী,দুঃশ্চরিত্র ব্যক্তির পক্ষ অবলম্বন করে বিবৃতি দেন যা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সুতরাং হেফাজতের এ নেতৃত্ব কিংবা যারা এ ভন্ড নেতৃত্ব অনুসরণ করছে, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তারা শুধুমাত্র ইসলামের শত্রু নয় তারা দেশ ও দশের শত্রু। এখন যখন তাদের এ সকল ভণ্ডামি দেশবাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছে তখন তারা এ পবিত্র রমজান মাসে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে দেশবাসীকে ইসলামের দোহাই দিয়ে, তাদের ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করার জন্য মিথ্যা বিবৃতির আশ্রয় নিয়েছে। তাই আমরা আলেমসমাজ এ সকল ভন্ড,  ও ফেৎনা সৃষ্টিকারী ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দেশের প্রতিটি মুসলমান ভাইবোনেদের সচেতন থাকার আহবান জানাচ্ছি। এবং কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানাবো এসকল মতলববাজ,ভন্ড, ও রাজনৈতিক দুরভিসন্ধিদৃষ্ট আলেমদেরকে বর্জনের জন্য। যাতে তারা আপনাদের ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করতে না পারে।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসাইন, মাওঃ মোঃ আফলাতুল কাওছার, হাফেজ মাওঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম খান, ডাঃ প্রফেসর আল এমরান, মাওঃ মোঃ মুফতি সাহাবুদ্দিন ভুইয়া, মাওঃ মোঃ মুহিবুল্লাহ, মাওঃ মোঃ গোলাম মোস্তফা, মাওঃ মোঃ আব্দুল আজিজ, মাওঃ মোঃ মোস্তফা চৌধুরী, মাওঃ মোঃ ইলিয়াস হোসাইন, মাওঃ মোঃ এখলাছুর রহমান, মাওঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান, মাওঃ মোঃ নুরে আলম সরকার, মাওঃ মোঃ শামসুল হক, মাওঃ মোঃ আবুল খায়ের মজুমদার, মাওঃ মোঃ নুরুল আমিন পীর সাহেব ভাঙা, শাইখুল হাদিস মাওঃ মোঃ শাহাদাত হোসেন, মাওঃ শাহ মোঃ ওমর ফারুক, মাওঃ মোঃ জসিম উদ্দীন, মাওঃ মোঃ এনামুল হক সিদ্দিকী, মাওঃ মোঃ মনির হোসাইন চৌধুরী, ড. মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক, মাওঃ মোঃ হারুন, মাওঃ মোঃ মোছাদ্দেক, মাওঃ মোঃ ওসমান গনী, মাওঃ মোঃ নুরুল ইসলাম, মাওঃ মোঃ রেজাউল করিম, কাজী মাওঃ মোঃ তাজুল ইসলাম , মাওঃ হাফেজ মুহাম্মদ ফারুখ আব্দুল্লাহ, মাওঃ মোঃ মুনজুরুল ইসলাম , মাওঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম , মাওঃ মোঃ দৌলতখান, মাওঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান, মাওঃ মোঃ আজমীর হোসাইন , আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশিদ, মাওঃ মোঃ ফয়জুল্লাহ,  এড. মনির হোসেন , মোসাঃ আফসানা পারভিন মনা, মোসাঃ জয়ন প্রমুখ।

User Comments

  • রাজনীতি